![]()
ই-বাংলাদেশ ডেস্ক
দেশজুড়ে চলমান গ্যাস সংকট পুরোপুরি কাটিয়ে স্বাভাবিক সরবরাহে ফিরতে আরও দুই থেকে তিন দিন সময় লাগবে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু। তিনি জানান, বিকাল থেকে ধাপে ধাপে গ্যাস সঞ্চালন শুরু হবে এবং পাইপলাইনে চাপ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পরিস্থিতির উন্নতি হবে।
বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে জ্বালানিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী জানান, বর্তমানে এলএনজি টার্মিনালে প্রয়োজনীয় কারিগরি কার্যক্রম ও ফ্রিজিং প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। এই প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পর বিকাল থেকেই জাতীয় গ্রিডে আবার গ্যাস সঞ্চালন শুরু হবে।
ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেন, “এখনও ফ্রিজিং চলছে। এটি শেষ হয়ে গেলে বিকাল থেকে গ্যাস সঞ্চালন আবার শুরু হবে।”
তিনি আরও বলেন, গ্যাস সঞ্চালন শুরু হওয়ার পর যেসব এলাকায় পাইপলাইনের চাপ কমে গেছে, সেখানে ধীরে ধীরে চাপ বৃদ্ধি পাবে। ফলে শিল্প, বিদ্যুৎকেন্দ্র, বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান এবং আবাসিক গ্রাহকদের গ্যাস সরবরাহ পর্যায়ক্রমে স্বাভাবিক হয়ে আসবে।
এক প্রশ্নের জবাবে জ্বালানিমন্ত্রী বলেন, গ্যাস সরবরাহ আগের অবস্থায় ফিরতে অন্তত দুই থেকে তিন দিন সময় লাগতে পারে। তিনি বলেন, “গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক হতে অন্তত দুই থেকে তিন দিন লাগবে। এটি বন্ধ হওয়ার আগে যেমন ছিল, তেমন অবস্থায় ফিরে যাবে।”
জ্বালানি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, সাম্প্রতিক কারিগরি সমস্যার কারণে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ কমে যাওয়ায় দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে গ্যাসের চাপ উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পায়। এর প্রভাব পড়ে শিল্প উৎপাদন, বিদ্যুৎ উৎপাদন এবং আবাসিক গ্রাহকদের দৈনন্দিন ব্যবহারে।
তবে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা আশা করছেন, এলএনজি টার্মিনালের কার্যক্রম স্বাভাবিক হওয়ার পর জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ দ্রুত বাড়বে এবং আগামী দুই থেকে তিন দিনের মধ্যে পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়ে আসবে।