![]()
ই-বাংলাদেশ ডেস্ক
কক্সবাজারের মহেশখালীতে অবস্থিত ভাসমান এলএনজি (এফএসআরইউ) টার্মিনালের কারিগরি ত্রুটি মেরামতের পর আবারও জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ শুরু হয়েছে। টার্মিনালের একটি বয়লার সচল হওয়ায় বুধবার রাত থেকে গ্যাস সরবরাহ পরিস্থিতির উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে। এতে চট্টগ্রাম অঞ্চলের গ্যাস সংকট ধীরে ধীরে কমতে শুরু করেছে।
কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড (কেজিডিসিএল)-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী মো. সালাহউদ্দিন জানান, টার্মিনালের একটি বয়লারে দুর্ঘটনাজনিত কারিগরি ত্রুটি দেখা দেওয়ায় গ্যাস সরবরাহ ব্যাহত হয়েছিল। সমস্যাটি সমাধানে দেশি ও বিদেশি প্রকৌশলীদের সমন্বয়ে দীর্ঘ সময় ধরে মেরামত কাজ চালানো হয়। সফলভাবে একটি বয়লার চালু হওয়ার পর বুধবার রাত থেকেই সরবরাহ পরিস্থিতির উন্নতি দেখা যাচ্ছে।
তিনি জানান, টার্মিনালের দুটি বয়লারের মধ্যে একটি সচল হওয়ায় আগে বন্ধ হয়ে যাওয়া দৈনিক ৪৫০ মিলিয়ন ঘনফুট (এমএমসিএফটি) গ্যাসের পুরো সরবরাহ এখনো পুনরুদ্ধার সম্ভব না হলেও অতিরিক্ত ২০০ থেকে ২৫০ এমএমসিএফটি গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যুক্ত করা গেছে।
এই অতিরিক্ত সরবরাহের ফলে চট্টগ্রাম অঞ্চলে পাইপলাইনের মাধ্যমে গ্যাস বিতরণ অব্যাহত রাখা সম্ভব হয়েছে। বর্তমানে এলাকাটিতে দৈনিক প্রায় ২০০ এমএমসিএফটি গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছে। যদিও স্বাভাবিক সময়ে এ অঞ্চলে গ্যাস সরবরাহের পরিমাণ থাকে ২৬০ থেকে ২৭০ এমএমসিএফটি।
উল্লেখ্য, মহেশখালীর ভাসমান এলএনজি টার্মিনালে কারিগরি ত্রুটি দেখা দেওয়ার পর চট্টগ্রাম অঞ্চলে গ্যাস সরবরাহে ব্যাপক বিঘ্ন সৃষ্টি হয়। একই সময়ে জাতীয় গ্রিড থেকেও গ্যাস সরবরাহ কমিয়ে দেওয়ায় শিল্প, বিদ্যুৎ ও আবাসিক খাতে সংকট আরও তীব্র আকার ধারণ করে। সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, টার্মিনালের বাকি বয়লারও সচল হলে গ্যাস সরবরাহ দ্রুত স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসবে।