• হোম > রাজনীতি > গণভোটের রায়ের আলোকে জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নের দাবি খেলাফত মজলিসের

গণভোটের রায়ের আলোকে জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নের দাবি খেলাফত মজলিসের

  • বুধবার, ৫ আগস্ট ২০২৬, ১৬:৩০
  • ১০২

---

ই-বাংলাদেশ ডেস্ক

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত গণমিছিল-পূর্ব সমাবেশে গণভোটের রায়ের আলোকে জুলাই জাতীয় সনদ দ্রুত বাস্তবায়নের আহ্বান জানিয়েছেন খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা আব্দুল বাছিত আজাদ। তিনি বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব এবং বৈষম্যমুক্ত রাষ্ট্র গঠনের লক্ষ্যে সংঘটিত জুলাই গণঅভ্যুত্থান ছিল ছাত্র-জনতার ঐতিহাসিক ও অপ্রতিরোধ্য গণজাগরণ।

বুধবার (৫ আগস্ট) সকালে রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে আয়োজিত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি সরকারের উদ্দেশে বলেন, গণভোটে জনগণ যে রায় দিয়েছে, তার ভিত্তিতেই জুলাই জাতীয় সনদের পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা উচিত। তার ভাষ্য, সংবিধানের মৌলিক কাঠামো সংস্কারের বিষয়ে জনগণের মতামতকে উপেক্ষা করা হলে তা জাতীয় প্রত্যাশার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হবে না।

মাওলানা আব্দুল বাছিত আজাদ আরও বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সুফল বাস্তবায়নে সরকারকে আরও সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে হবে। একই সঙ্গে তিনি ফ্যাসিবাদী অপশক্তির বিচার দ্রুত সম্পন্ন করা এবং পলাতক দণ্ডিতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা কার্যকর করার দাবি জানান।

সমাবেশে প্রধান বক্তা হিসেবে খেলাফত মজলিসের মহাসচিব ড. আহমদ আবদুল কাদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও দলীয় আধিপত্য বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, শিক্ষাঙ্গনের শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করা না গেলে মেধাবিকাশ ব্যাহত হবে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্ম ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, বিরোধী মতের প্রতি অসহিষ্ণু আচরণ গণতান্ত্রিক পরিবেশকে দুর্বল করতে পারে। তাই রাজনৈতিক সহনশীলতা বজায় রেখে জাতীয় ঐক্য প্রতিষ্ঠার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

খেলাফত মজলিসের নেতারা বলেন, জুলাই জাতীয় সনদের পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়নের দাবিতে দেশজুড়ে শান্তিপূর্ণ গণআন্দোলন আরও জোরদার করা হবে। পাশাপাশি গুম, খুন, নির্যাতন, গণহত্যা এবং দুর্নীতির অভিযোগে অভিযুক্তদের দ্রুত বিচার নিশ্চিত করারও দাবি জানান তারা।

ঢাকা মহানগরী শাখার উদ্যোগে আয়োজিত এই সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সভাপতি অধ্যাপক মাওলানা আজিজুল হক। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন ঢাকা মহানগরী উত্তরের সভাপতি অধ্যাপক মাওলানা সাইফুদ্দিন আহমদ খন্দকার। এতে দলের কেন্দ্রীয় ও মহানগর পর্যায়ের বিভিন্ন নেতা বক্তব্য দেন।

সমাবেশ শেষে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে থেকে একটি গণমিছিল বের করা হয়। মিছিলটি পল্টন মোড় ঘুরে বিজয়নগর পানির ট্যাংকি মোড়ে গিয়ে শেষ হয়।


This page has been printed from Entrepreneur Bangladesh - https://www.entrepreneurbd.com/14856 ,   Print Date & Time: Sunday, 11 October 2026, 03:22:39 PM
Developed by: Dotsilicon [www.dotsilicon.com]
© 2026 Entrepreneur Bangladesh