![]()
ই-বাংলাদেশ ডেস্ক
আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) উপ-মহাপরিচালক (অপারেশনস) উগোচি ড্যানিয়েলস চার দিনের সরকারি সফরে বাংলাদেশে পৌঁছেছেন। সফরকালে তিনি বাংলাদেশ সরকারের ঊর্ধ্বতন প্রতিনিধি, জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থা, উন্নয়ন সহযোগী এবং অভিবাসন ও মানবিক সহায়তা কার্যক্রমের সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে অংশ নেবেন।
শনিবার (১ আগস্ট) ভোরে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছালে তাকে স্বাগত জানান এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের জন্য আইওএমের আঞ্চলিক পরিচালক ইওরি কাতো, বাংলাদেশে জাতিসংঘের অন্তর্বর্তীকালীন আবাসিক সমন্বয়কারী ক্যারল ফ্লোর-স্মেরেঝনিয়াক এবং আইওএম বাংলাদেশের চিফ অব মিশন ড. লরা টম বন্দ।
অভিবাসন সহযোগিতা ও উন্নয়ন নিয়ে বৈঠক
আইওএম সূত্রে জানা গেছে, সফরের সময় উগোচি ড্যানিয়েলস বাংলাদেশ সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সংস্থার প্রতিনিধিদের পাশাপাশি জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থা, উন্নয়ন অংশীদার এবং আইওএমের সহায়তাপ্রাপ্ত বিভিন্ন জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন।
বৈঠকগুলোতে নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও নিয়মিত অভিবাসন, শ্রম অভিবাসন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে মানব চলাচল, মানবিক সহায়তা এবং অভিবাসন সুশাসন জোরদারের বিষয়গুলো গুরুত্ব পাবে বলে জানা গেছে।
জিসিএম কর্মপরিকল্পনার উদ্বোধনে অংশগ্রহণ
সফরকালে নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও নিয়মিত অভিবাসন বিষয়ক বৈশ্বিক চুক্তি (গ্লোবাল কমপ্যাক্ট ফর মাইগ্রেশন-জিসিএম) বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে বাংলাদেশের জাতীয় কর্মপরিকল্পনা ২০২৬-২০৩০-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানেও অংশ নেবেন আইওএমের উপ-মহাপরিচালক।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নের মাধ্যমে নিরাপদ অভিবাসন, দক্ষ জনশক্তি রপ্তানি এবং অভিবাসীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা আরও জোরদার হবে।
কক্সবাজার ও মাদারীপুর সফর
চার দিনের সফরের অংশ হিসেবে উগোচি ড্যানিয়েলস কক্সবাজার ও মাদারীপুর সফর করবেন। সেখানে তিনি অভিবাসন সুশাসন, জলবায়ুজনিত বাস্তুচ্যুতি, শ্রম অভিবাসন, মানবিক সহায়তা এবং সুরক্ষাবিষয়ক বিভিন্ন প্রকল্প পরিদর্শন করবেন।
এ সময় তিনি মাঠপর্যায়ের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ এবং সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে মতবিনিময়ের মাধ্যমে চলমান কর্মসূচির অগ্রগতি ও ভবিষ্যৎ সহযোগিতার সম্ভাবনা নিয়েও আলোচনা করবেন।
বিশেষজ্ঞদের মতে, আইওএমের এই উচ্চপর্যায়ের সফর বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার মধ্যে সহযোগিতা আরও জোরদার করবে এবং নিরাপদ অভিবাসন ও মানবিক সহায়তা কার্যক্রমে নতুন গতি আনবে।