ই-বাংলাদেশ ডেস্ক
নির্বাচনব্যবস্থায় স্বচ্ছতা, নিরপেক্ষতা ও অংশগ্রহণমূলক পরিবেশ নিশ্চিত করতে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) কাছে তিন দফা প্রস্তাব দিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটি স্থানীয় সরকার নির্বাচনে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের প্রার্থী হওয়ার সুযোগ নিশ্চিত করা, নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের অতিরিক্ত সচিব হিসেবে সামসুল আলমের নিয়োগ বাতিল এবং নির্বাচনব্যবস্থার প্রয়োজনীয় সংস্কারের দাবি জানিয়েছে।
বুধবার (২৯ জুলাই) প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) বরাবর পাঠানো এক চিঠিতে এসব প্রস্তাব তুলে ধরেন জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার।
চিঠিতে বলা হয়, সংবিধান ও বিদ্যমান আইন অনুযায়ী অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজন করা নির্বাচন কমিশনের অন্যতম সাংবিধানিক দায়িত্ব। তাই কমিশনের প্রতিটি সিদ্ধান্তে নিরপেক্ষতা, স্বচ্ছতা এবং জনআস্থার প্রতিফলন থাকা প্রয়োজন।
জামায়াতের দাবি, এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার ক্ষেত্রে বিদ্যমান বিধিনিষেধ তাদের সাংবিধানিক অধিকারের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। এ কারণে সংশ্লিষ্ট আইন ও বিধিমালা পুনর্বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
একই চিঠিতে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের অতিরিক্ত সচিব হিসেবে সামসুল আলমের নিয়োগ নিয়েও আপত্তি জানিয়েছে দলটি। তাদের বক্তব্য, এই নিয়োগ নিয়ে বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন রয়েছে। তাই নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা ও গ্রহণযোগ্যতা বজায় রাখতে ওই নিয়োগ বাতিল করা প্রয়োজন।
এ ছাড়া স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে আরও স্বচ্ছ, অংশগ্রহণমূলক ও গ্রহণযোগ্য করতে নির্বাচন কমিশনের অধীনে পরিচালিত নির্বাচন-সংক্রান্ত আইন, বিধিমালা ও প্রশাসনিক ব্যবস্থার প্রয়োজনীয় সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছে জামায়াতে ইসলামী।
দলটি আশা প্রকাশ করেছে, নির্বাচন কমিশন উত্থাপিত প্রস্তাবগুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করবে এবং প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেবে। তাদের মতে, এসব পদক্ষেপ বাস্তবায়িত হলে নির্বাচনব্যবস্থার প্রতি জনগণের আস্থা আরও বৃদ্ধি পাবে এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া শক্তিশালী হবে।