![]()
ই-বাংলাদেশ ডেস্ক
ঝালকাঠির পর্যটন খাতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হতে যাচ্ছে। গাবখান চ্যানেল, ধানসিঁড়ি, সুগন্ধা, বিষখালী ও বাসন্ডা নদীর মোহনা ঘিরে আন্তর্জাতিক মানের নদীভিত্তিক ইকো-ট্যুরিজম প্রকল্প এবং বরিশাল বিভাগীয় ‘ধানসিঁড়ি সাংস্কৃতিক পল্লী’ প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য বিষয়ক বিশেষ সহকারী ড. এস. এম. জিয়াউদ্দিন হায়দারের উদ্যোগ ও প্রচেষ্টায় দীর্ঘদিনের এই প্রস্তাব অনুমোদন পেয়েছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে ঝালকাঠি দেশের অন্যতম আকর্ষণীয় পর্যটন গন্তব্য হিসেবে গড়ে ওঠার সম্ভাবনা তৈরি হবে।
প্রস্তাবিত প্রকল্পের আওতায় গাবখান চ্যানেল, ধানসিঁড়ি, সুগন্ধা, বিষখালী ও বাসন্ডা নদীর মোহনা, ইকোপার্ক এবং ভীমরুলীর বিখ্যাত ভাসমান পেয়ারা বাজার ও পেয়ারা বাগানকে কেন্দ্র করে আধুনিক নদীভিত্তিক পর্যটন অবকাঠামো গড়ে তোলা হবে।
জানা গেছে, ৮৮.৩৬ একর সরকারি জমিতে বাস্তবায়নাধীন এই প্রকল্পে পর্যটকদের জন্য আন্তর্জাতিক মানের বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা রাখা হয়েছে। এর মধ্যে থাকবে সাহিত্য ও গবেষণা কেন্দ্র, লোকজ জাদুঘর, সাংস্কৃতিক মঞ্চ, আধুনিক জেটি, ইকো-রিসোর্ট এবং পরিবেশবান্ধব পর্যটন সুবিধা।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে শুধু পর্যটন শিল্পই নয়, ঝালকাঠির স্থানীয় অর্থনীতিও নতুন গতি পাবে। পাশাপাশি কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে এবং স্থানীয় ক্ষুদ্র ব্যবসা, পরিবহন, হোটেল-রেস্তোরাঁ ও কৃষিভিত্তিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড আরও সম্প্রসারিত হবে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, গাবখান চ্যানেল ও ভীমরুলীর ভাসমান পেয়ারা বাজার ইতোমধ্যেই দেশি-বিদেশি পর্যটকদের কাছে পরিচিত। আধুনিক পর্যটন অবকাঠামো গড়ে উঠলে ঝালকাঠি আন্তর্জাতিক পর্যটন মানচিত্রে আরও গুরুত্বপূর্ণ স্থান করে নিতে পারে।
এছাড়া ‘ধানসিঁড়ি সাংস্কৃতিক পল্লী’ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে বরিশাল অঞ্চলের সাহিত্য, সংস্কৃতি, লোকজ ঐতিহ্য এবং ইতিহাস সংরক্ষণ ও বিকাশে নতুন মাত্রা যোগ হবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেছেন।