• হোম > বাংলাদেশ > রাষ্ট্রপতি নির্বাচন: রাজনৈতিক অভিজ্ঞতাসম্পন্ন ব্যক্তিকেই প্রাধান্য দিতে পারে বিএনপি, সিদ্ধান্ত সেপ্টেম্বরে

রাষ্ট্রপতি নির্বাচন: রাজনৈতিক অভিজ্ঞতাসম্পন্ন ব্যক্তিকেই প্রাধান্য দিতে পারে বিএনপি, সিদ্ধান্ত সেপ্টেম্বরে

  • রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১২:৪৪
  • ৪৬

 ---

ই-বাংলাদেশ ডেস্ক

রাষ্ট্রপতি নির্বাচন: রাজনৈতিক অভিজ্ঞতাসম্পন্ন ব্যক্তিকেই প্রাধান্য দিতে পারে বিএনপি, সিদ্ধান্ত সেপ্টেম্বরে **নিজস্ব প্রতিবেদক** রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের পর দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনকে ঘিরে আলোচনা তীব্র হয়েছে। সরকার জানিয়েছে, আগামী সেপ্টেম্বরে সংসদ অধিবেশনেই রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়া হবে। এদিকে বিএনপি বলছে, বিষয়টি দলীয় ফোরামে আলোচনা করেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তবে দলটির নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের একাধিক সূত্রের দাবি, এবার অরাজনৈতিক নয়, বরং দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতাসম্পন্ন একজন ব্যক্তিকেই রাষ্ট্রপতি পদে মনোনয়নের বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। দলীয় সূত্রের ভাষ্য, অতীতের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা বিশেষ করে ২০০৭ সালের এক-এগারোর প্রেক্ষাপট বিবেচনায় নিয়ে এবার রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভিন্ন কৌশল নিতে চায় বিএনপি। তাদের মূল্যায়ন, সে সময় রাজনৈতিক সংকট মোকাবিলায় অরাজনৈতিক নেতৃত্ব প্রত্যাশিত ভূমিকা রাখতে পারেনি। ভবিষ্যতের সম্ভাব্য রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ মাথায় রেখেই অভিজ্ঞ রাজনীতিবিদকে রাষ্ট্রপতি হিসেবে দেখতে আগ্রহী দলটি। বিএনপির স্বনির্ভর বিষয়ক সহ-সম্পাদক ও সংসদ সদস্য নিলোফার চৌধুরী মনি বলেন, রাষ্ট্রপতি কে হবেন, সে বিষয়ে এখনই কিছু বলা সম্ভব নয়। বিষয়টি দলের ফোরামে সিদ্ধান্ত হবে। তিনি জানান, দলের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে সর্বোচ্চ ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে এবং তিনি গ্রহণযোগ্য, সৎ ও বিতর্কমুক্ত ব্যক্তিকেই বেছে নেবেন বলে তাদের প্রত্যাশা। ## ৯০ দিনের আগেই নির্বাচন চায় বিএনপি সংবিধানের ১২৩(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হওয়ার পর সর্বোচ্চ ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন সম্পন্ন করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। তবে বিএনপির একটি সূত্র জানিয়েছে, দলটি নির্ধারিত সময়সীমার শেষ পর্যন্ত অপেক্ষা করতে চায় না। যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচন শেষ করে পরবর্তী রাজনৈতিক কর্মসূচি, বিশেষ করে স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে এগোতে আগ্রহী তারা। একই সঙ্গে দেশের সামগ্রিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং অন্যান্য রাজনৈতিক দলের তৎপরতাও সরকারের বিবেচনায় রয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। এরই মধ্যে আইনমন্ত্রী অ্যাডভোকেট মো. আসাদুজ্জামান জানিয়েছেন, আগামী সেপ্টেম্বরে সংসদ অধিবেশনে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে সিদ্ধান্ত হতে পারে। তার মতে, এ মুহূর্তে বিশেষ অধিবেশন ডাকার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়নি। ## অভিজ্ঞ রাজনীতিকদের নাম আলোচনায় দলীয় সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, সম্ভাব্য প্রার্থীদের তালিকায় বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সিনিয়র সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ড. আব্দুল মঈন খান এবং বর্তমান ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদের নাম আলোচনায় রয়েছে। এছাড়া প্রবীণ নারী নেত্রী সেলিমা রহমানের নামও সম্ভাব্যদের তালিকায় রয়েছে বলে জানা গেছে। অন্যদিকে, কয়েকজন সাবেক আমলার নাম আলোচনায় এলেও তাদের মনোনয়ন পাওয়ার সম্ভাবনা তুলনামূলক কম বলে দলীয় সূত্রের দাবি। বিএনপির চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা আমান উল্লাহ আমান বলেন, রাষ্ট্রপতি মনোনয়নের ক্ষেত্রে অবশ্যই যোগ্য ব্যক্তিকেই বেছে নেওয়া হবে। তবে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে দলের হাইকমান্ড। ## সম্ভাব্য প্রার্থীদের প্রোফাইল যাচাই বিএনপির মিডিয়া সেল সূত্রে জানা গেছে, রাষ্ট্রপতি পদে সম্ভাব্য ব্যক্তিদের একাডেমিক যোগ্যতা, সাংগঠনিক অভিজ্ঞতা, রাজনৈতিক জীবন এবং প্রশাসনিক দক্ষতার বিস্তারিত প্রোফাইল ইতোমধ্যেই প্রধানমন্ত্রীর কাছে পাঠানো হয়েছে। এসব বিষয় পর্যালোচনা করে সর্বাধিক যোগ্য ব্যক্তিকে চূড়ান্তভাবে মনোনয়ন দেওয়া হতে পারে। এদিকে বগুড়ায় এক অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও এলজিআরডি মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, রাষ্ট্রপতি কে হবেন বা কীভাবে প্রার্থী নির্ধারণ করা হবে, সে বিষয়ে এখনই মন্তব্য করা সম্ভব নয়। সংবিধান অনুযায়ী দল সিদ্ধান্ত নেবে। তিনি আরও জানান, খুব শিগগিরই দলের স্থায়ী কমিটির বৈঠকে এ বিষয়ে আলোচনা হবে এবং সেখান থেকেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসতে পারে


This page has been printed from Entrepreneur Bangladesh - https://www.entrepreneurbd.com/14432 ,   Print Date & Time: Friday, 11 September 2026, 01:39:41 AM
Developed by: Dotsilicon [www.dotsilicon.com]
© 2026 Entrepreneur Bangladesh