![]()
ই-বাংলাদেশ ডেস্ক
ভারতের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের পরও আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সংগঠন ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। সংগঠনটির দাবি, শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ তাদের আন্দোলনের প্রথম সাফল্য হলেও এখনো দুটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি বাস্তবায়ন বাকি রয়েছে।
শনিবার (২৫ জুলাই) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স (সাবেক টুইটার)-এ দেওয়া এক পোস্টে সিজেপির প্রধান অভিজিৎ দীপকে বলেন, আন্দোলন এখানেই শেষ নয়।
তিনি লেখেন, “এটা প্রথম পতন। আমরা এখানে থামবো না। এটা কেবল শুরু। গত ৩৬ দিন ধরে যারা আন্দোলন চালিয়ে গেছেন, সেই সব শিক্ষার্থী ও স্বেচ্ছাসেবকদের প্রতি আমি সম্মান জানাই।”
ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের পরপরই দেওয়া এই বার্তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং ব্যাপক আলোচনা তৈরি করে।
এরপর সংগঠনটির অফিসিয়াল এক্স অ্যাকাউন্ট থেকে প্রকাশিত আরেকটি পোস্টে অভিজিৎ দীপকে জানান, শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগকে তারা গণতন্ত্রের বিজয় হিসেবে দেখলেও আন্দোলনের আরও দুটি দাবি এখনো পূরণ হয়নি।
তিনি বলেন, “এটাই গণতন্ত্র। তিনি পদত্যাগ করেছেন। কিন্তু আমাদের আরও দুটি দাবি রয়েছে। আমরা এভাবে আন্দোলন শেষ করব না। আত্মহত্যা করা প্রত্যেক শিক্ষার্থীর পরিবারকে ১ কোটি রুপি করে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে এবং ২০ তারিখ আন্দোলন দমনে যেসব পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে দুর্ব্যবহারের অভিযোগ রয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে।”
পোস্টের শেষাংশে তিনি লেখেন, “ককরোচদের সঙ্গে পাঙ্গা নেবেন না।” এই মন্তব্যও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে আলোচিত হচ্ছে।
সম্প্রতি এনইইটি (NEET-UG) পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁসের অভিযোগকে কেন্দ্র করে ভারতের বিভিন্ন স্থানে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন শুরু হয়। আন্দোলনের অংশ হিসেবে দিল্লির যন্তরমন্তরসহ বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ, অবস্থান কর্মসূচি এবং প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সেই আন্দোলনের অন্যতম সংগঠক হিসেবে আলোচনায় আসে ব্যঙ্গধর্মী সংগঠন ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)।
শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের পর আন্দোলনের ভবিষ্যৎ নিয়ে নানা জল্পনা থাকলেও সংগঠনটির সর্বশেষ ঘোষণায় স্পষ্ট হয়েছে যে, বাকি দাবিগুলো পূরণ না হওয়া পর্যন্ত তারা আন্দোলন অব্যাহত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
উল্লেখ্য, এই দাবিগুলো আন্দোলনকারী সংগঠনের বক্তব্য। এ বিষয়ে ভারত সরকারের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।