![]()
ই-বাংলাদেশ ডেস্ক
আগামী সেপ্টেম্বর মাসে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া জাতীয় সংসদের অধিবেশনেই বাংলাদেশের নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। তিনি বলেন, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য আলাদা করে বিশেষ সংসদ অধিবেশন ডাকার প্রয়োজন নেই।
শনিবার রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে আয়োজিত মানবাধিকারবিষয়ক এক পরামর্শ সভায় বক্তব্য দিতে গিয়ে আইনমন্ত্রী এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, ‘বিশেষ অধিবেশন ডেকে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন করার মতো পরিস্থিতি হয়নি। আগামী সেপ্টেম্বরের সংসদ অধিবেশনেই নতুন প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হবেন।’
রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের বিষয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, আগের রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে থাকা মামলার বিষয়ে এই মুহূর্তে কোনো মন্তব্য করতে চান না।
এর আগে শুক্রবার (২৪ জুলাই) স্বাস্থ্যগত কারণ দেখিয়ে রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেন মো. সাহাবুদ্দিন। দায়িত্ব গ্রহণের প্রায় সাড়ে তিন বছর পর তিনি সামরিক সচিবের মাধ্যমে জাতীয় সংসদের স্পিকারের কাছে তার পদত্যাগপত্র জমা দেন।
রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র গ্রহণের পর সংবিধান অনুযায়ী জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেন। নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত ও শপথ গ্রহণ না করা পর্যন্ত তিনি রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন।
বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জাতীয় সংসদের সদস্যদের ভোটে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার বিধান রয়েছে। আইনমন্ত্রীর বক্তব্য অনুযায়ী, সেই নির্বাচন আগামী সেপ্টেম্বরের নিয়মিত সংসদ অধিবেশনেই অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নিয়মিত সংসদ অধিবেশনে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলে সাংবিধানিক ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে এবং বিশেষ অধিবেশন আয়োজনের প্রয়োজন হবে না। ফলে সাংবিধানিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করেই দেশের নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের পথ সুগম হবে।