![]()
ই-বাংলাদেশ ডেস্ক
রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের সম্ভাব্য পদত্যাগকে ঘিরে চলমান আলোচনা ও জল্পনার মধ্যে নতুন তথ্য সামনে এসেছে। বঙ্গভবন সূত্র জানিয়েছে, রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের বিষয়ে প্রয়োজনীয় সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। এখন জাতীয় সংসদের স্পিকারের সময় পাওয়া সাপেক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগপত্র জমা দেওয়া হবে।
শুক্রবার (২৪ জুলাই) দুপুরে দায়িত্বশীল সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। তবে এখন পর্যন্ত রাষ্ট্রপতির দপ্তর থেকে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা দেওয়া হয়নি।
এর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে। পরবর্তীতে দেশের কয়েকটি গণমাধ্যমেও সম্ভাব্য পদত্যাগের খবর প্রকাশিত হয়। সর্বশেষ বঙ্গভবনের সূত্রে প্রস্তুতি সম্পন্ন হওয়ার তথ্য সামনে আসায় বিষয়টি নতুন মাত্রা পেয়েছে।
এদিকে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের আলোচনা চলাকালেই থাইল্যান্ড সফর সংক্ষিপ্ত করে শুক্রবার দেশে ফিরেছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের বিষয়ে তার কাছে কোনো নিশ্চিত তথ্য নেই।
তবে সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের প্রক্রিয়া সম্পর্কে স্পিকার বলেন, রাষ্ট্রপতি পদত্যাগ করলে তা স্পিকারের কাছেই জমা দিতে হবে। এরপর ৯০ দিনের মধ্যে জাতীয় সংসদ নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করবে।
তিনি আরও জানান, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত স্পিকার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন। এটাই বাংলাদেশের সংবিধানে নির্ধারিত সাংবিধানিক বিধান।
রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ নিয়ে এখন পর্যন্ত সরকার বা রাষ্ট্রপতির কার্যালয় থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো প্রজ্ঞাপন জারি হয়নি। ফলে রাজনৈতিক অঙ্গন ও প্রশাসনিক মহলে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না আসা পর্যন্ত এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য অপেক্ষা করতে হবে।