• হোম > বাংলাদেশ > চীনের সঙ্গে জিও পলিটিকাল ও ব্যবসায়িক সম্পর্ক আরও দৃঢ় হবে : মির্জা ফখরুল

চীনের সঙ্গে জিও পলিটিকাল ও ব্যবসায়িক সম্পর্ক আরও দৃঢ় হবে : মির্জা ফখরুল

  • শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ২১:২৩
  • ৫৮

চীনের সঙ্গে জিও পলিটিকাল ও ব্যবসায়িক সম্পর্ক আরও দৃঢ় হবে : মির্জা ফখরুল

চীনের সঙ্গে ভূরাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও জোরদার করতে চায় বিএনপি বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাম্প্রতিক চীন সফর দুই দেশের সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছে এবং ভবিষ্যৎ সহযোগিতার নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে।

শনিবার রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে বাংলাদেশ-চায়না ফ্রেন্ডশিপ অ্যাসোসিয়েশনের আয়োজনে ‘লং লিভ বাংলাদেশ-চায়না ফ্রেন্ডশিপ’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন।

মির্জা ফখরুল বলেন, চীনের কমিউনিস্ট পার্টির সঙ্গে বিএনপির দীর্ঘদিনের সম্পর্ক রয়েছে। অতীতের রাজনৈতিক প্রতিকূল সময়েও দুই দলের মধ্যে যোগাযোগ অব্যাহত ছিল। তিনি বলেন, চীন শুধু আওয়ামী লীগের সঙ্গেই নয়, বিএনপিসহ বাংলাদেশের অন্যান্য রাজনৈতিক দলের সঙ্গেও সম্পর্ক বজায় রেখেছে।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ চীনের সঙ্গে যেমন ভূরাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও গভীর করতে চায়, তেমনি ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গেও ভারসাম্যপূর্ণ রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক বজায় রাখতে আগ্রহী।

স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, অবকাঠামো উন্নয়ন, সড়ক নির্মাণ, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, সৌরবিদ্যুৎ এবং সবুজ প্রযুক্তির মতো খাতে চীনের অভিজ্ঞতা ও প্রযুক্তি বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পাশাপাশি কারিগরি শিক্ষা ও দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তুলতেও চীনের সহযোগিতা প্রয়োজন বলে তিনি মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য আরও সম্প্রসারণের সুযোগ রয়েছে। বাংলাদেশ যেমন চীন থেকে আমদানি করবে, তেমনি নিজেদের পণ্যও চীনের বাজারে রপ্তানি বাড়াতে চায়। তার মতে, আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে আধিপত্যবিরোধী শক্তি হিসেবে চীনের নেতৃত্ব বাংলাদেশের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ।

অনুষ্ঠানে চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বলেন, বাংলাদেশের জন্য হাইস্পিড রেল প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করতে আগ্রহী চীন। তিনি জানান, ভবিষ্যতে ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেটকে উচ্চগতির রেল নেটওয়ার্কের আওতায় আনার সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়া রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন ইস্যুতেও চীন সর্বোচ্চ সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে বলে আশ্বাস দেন তিনি।

রাষ্ট্রদূত আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাম্প্রতিক চীন সফরের মাধ্যমে দুই দেশের সম্পর্কের নতুন অধ্যায়ের সূচনা হয়েছে, যা ভবিষ্যতে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, প্রযুক্তি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি ও সাংস্কৃতিক বিনিময়সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণে ভূমিকা রাখবে।

অনুষ্ঠানে তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন, বেসামরিক বিমান ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী রশিদুজ্জান মিল্লাত, বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সমিতির সভাপতি ও বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট নজমুল হক নান্নুসহ বিভিন্ন পর্যায়ের রাজনৈতিক নেতা, কূটনীতিক ও বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।


This page has been printed from Entrepreneur Bangladesh - https://www.entrepreneurbd.com/14089 ,   Print Date & Time: Friday, 4 September 2026, 05:01:17 PM
Developed by: Dotsilicon [www.dotsilicon.com]
© 2026 Entrepreneur Bangladesh