![]()
সরকার পূর্বের নিয়মে প্রতি বছর ১ নভেম্বর জাতীয় যুব দিবস উদযাপনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পাশাপাশি ১২ আগস্ট আন্তর্জাতিক যুব দিবস আগের মতোই পৃথকভাবে পালিত হবে। বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) বাংলাদেশ সচিবালয়ের জনপ্রশাসন সভাকক্ষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়।
মন্ত্রিপরিষদের ১৩তম বৈঠক শেষে প্রকাশিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, আগে প্রতি বছর ১ নভেম্বর জাতীয় যুব দিবস এবং ১২ আগস্ট আন্তর্জাতিক যুব দিবস পৃথকভাবে পালন করত যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়। তবে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের সময় দুটি দিবস একত্রে ১২ আগস্ট পালনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় এবং ২০২৫ সালে প্রথমবারের মতো একই দিনে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক যুব দিবস উদযাপিত হয়।
সরকারের ভাষ্য অনুযায়ী, বর্ষাকালে একসঙ্গে দুই দিবস পালন করায় যুব র্যালি, যুব সমাবেশ ও যুবমেলার মতো কর্মসূচি সফলভাবে আয়োজন করা সম্ভব হয়নি। এতে যুব উদ্যোক্তারা তাদের উৎপাদিত পণ্য প্রদর্শন ও বিক্রির ক্ষেত্রে বিভিন্ন সমস্যার মুখোমুখি হন। এছাড়া জাতীয় যুব দিবসের বাইরে অন্য সময় যুবমেলার আয়োজন করলে প্রত্যাশিত জনসম্পৃক্ততা ও বাণিজ্যিক সাফল্যও অর্জিত হয় না।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, জাতীয় যুব দিবস সরকারি অর্থায়নে উদযাপিত হলেও আন্তর্জাতিক যুব দিবস সাধারণত সরকারি-বেসরকারি সংস্থা এবং উন্নয়ন সহযোগীদের সহায়তায় পালিত হয়ে থাকে। এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়ে মন্ত্রিসভা সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে, ভবিষ্যতে ১২ আগস্ট আন্তর্জাতিক যুব দিবস এবং ১ নভেম্বর জাতীয় যুব দিবস পৃথকভাবে উদযাপন করা হবে।