• হোম > কক্সবাজার | চট্টগ্রাম | বাংলাদেশ > পাঁচ দিন পর চালু হলো চট্টগ্রাম–কক্সবাজার রেলপথে ট্রেন চলাচল

পাঁচ দিন পর চালু হলো চট্টগ্রাম–কক্সবাজার রেলপথে ট্রেন চলাচল

  • রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬, ১৬:৫৪
  • ৪৯

পাঁচ দিন পর চালু হলো চট্টগ্রাম–কক্সবাজার রেলপথে ট্রেন চলাচল

টানা বৃষ্টি ও জলাবদ্ধতার কারণে পাঁচ দিন বন্ধ থাকার পর চট্টগ্রাম–কক্সবাজার রেলপথে আবারও ট্রেন চলাচল শুরু হয়েছে। রোববার দুপুর ১টা ৩০ মিনিটে চট্টগ্রাম রেলওয়ে স্টেশন থেকে কক্সবাজারগামী পর্যটন এক্সপ্রেস ছেড়ে যাওয়ার মধ্য দিয়ে এ রুটে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হয়।

এর আগে সকাল সোয়া ৬টায় ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা পর্যটক এক্সপ্রেস সাড়ে ১১টার দিকে চট্টগ্রাম স্টেশনে পৌঁছায়। রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এখন থেকে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও ঢাকা থেকে নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী ট্রেন চলাচল করবে।

রেলওয়ের চট্টগ্রাম বিভাগের পরিবহন কর্মকর্তা মো. ফারহান মাহমুদ জানান, রেললাইনে পানি উঠে যাওয়ায় গত মঙ্গলবার দুপুর থেকে কক্সবাজার রুটে ট্রেন চলাচল বন্ধ ছিল। ক্ষতিগ্রস্ত স্থানগুলোতে মেরামতকাজ শেষ হওয়ায় রোববার থেকে আবার ট্রেন চলাচল শুরু হয়েছে।

বাংলাদেশ রেলওয়ের তথ্য অনুযায়ী, ষোলশহর–দোহাজারী সেকশনের জান আলী হাট স্টেশনের প্রায় এক কিলোমিটার পূর্বে শমসেরপাড়া এলাকায় প্রায় ৫০০ মিটার রেলপথ পানিতে তলিয়ে যায়। সেখানে রেললাইনের ওপর সর্বোচ্চ ২১ ইঞ্চি পর্যন্ত পানি ওঠায় নিরাপত্তার স্বার্থে ট্রেন চলাচল বন্ধ রাখা হয়।

বন্যার পানির স্রোতে রেললাইনের নিচের ব্যালাস্ট বা পাথরের কিছু অংশ সরে গেলেও মূল রেললাইন বাঁকা বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি। পরে রেলের প্রকৌশল বিভাগ ক্ষতিগ্রস্ত প্রায় ৩০০ মিটার রেলপথ স্থানভেদে সর্বোচ্চ দেড় ফুট পর্যন্ত উঁচু করে এবং সরে যাওয়া পাথর পুনঃস্থাপন করে।

গত মঙ্গলবার ভারী বৃষ্টিতে সৃষ্ট জলাবদ্ধতায় নগরীর মুরাদপুর সুন্নিয়া মাদ্রাসাসহ কয়েকটি এলাকায় রেললাইন পানিতে তলিয়ে গেলে চট্টগ্রাম–কক্সবাজার রুটে ট্রেন চলাচল বন্ধ ঘোষণা করা হয়।

সেদিন কক্সবাজারগামী পর্যটক এক্সপ্রেস প্রায় আট ঘণ্টা ষোলশহর স্টেশনে আটকে থাকার পর চট্টগ্রাম স্টেশনে ফিরিয়ে আনা হয় এবং ট্রেনটির কক্সবাজার যাত্রা বাতিল করা হয়। জলাবদ্ধতার কারণে মোট চারটি ট্রেনের চলাচল বিঘ্নিত হয়।

এর মধ্যে চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজারগামী প্রবাল এক্সপ্রেস এবং কক্সবাজার থেকে চট্টগ্রামগামী সৈকত এক্সপ্রেসের যাত্রা সম্পূর্ণ বাতিল করা হয়। এছাড়া কক্সবাজার এক্সপ্রেস ও পর্যটক এক্সপ্রেসের চট্টগ্রাম–কক্সবাজার অংশের যাত্রা বাতিল করে যাত্রীদের বিকল্প ব্যবস্থায় গন্তব্যে পৌঁছানোর ব্যবস্থা করা হয়।

ঘটনার পর গত বুধবার ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শনে গিয়ে রেলপথ প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ বলেন, যাত্রীদের নিরাপত্তাই সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। রেললাইনের বিভিন্ন স্থানে প্রায় দুই ফুট পর্যন্ত পানি জমে থাকায় দুর্ঘটনার ঝুঁকি এড়াতে সাময়িকভাবে ট্রেন চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছিল।


This page has been printed from Entrepreneur Bangladesh - https://www.entrepreneurbd.com/13631 ,   Print Date & Time: Wednesday, 23 September 2026, 07:24:36 AM
Developed by: Dotsilicon [www.dotsilicon.com]
© 2026 Entrepreneur Bangladesh