• হোম > অর্থনীতি > জনস্বার্থ ও দেশের অর্থনৈতিক সুরক্ষা নিশ্চিত করে আইএমএফের সঙ্গে নতুন প্রোগ্রাম হবে: অর্থমন্ত্রী

জনস্বার্থ ও দেশের অর্থনৈতিক সুরক্ষা নিশ্চিত করে আইএমএফের সঙ্গে নতুন প্রোগ্রাম হবে: অর্থমন্ত্রী

  • রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬, ১৬:৪৪
  • ৪৭

জনস্বার্থ ও দেশের অর্থনৈতিক সুরক্ষা নিশ্চিত করে আইএমএফের সঙ্গে নতুন প্রোগ্রাম হবে: অর্থমন্ত্রী

জনস্বার্থ ও দেশের অর্থনৈতিক স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়েই আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) সঙ্গে নতুন কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

রোববার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, দেশের মানুষের স্বার্থ ক্ষুণ্ন করে আইএমএফের কোনো কর্মসূচিতে সরকার যুক্ত হবে না।

অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের লক্ষ্য শুধু অর্থায়ন পাওয়া নয়, বরং দেশের অর্থনৈতিক স্বার্থ সুরক্ষিত রাখা। একটি নির্বাচিত সরকার হিসেবে জনগণের স্বার্থ রক্ষা করাই আমাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার।’

তিনি জানান, সরকার এমন একটি নতুন কর্মসূচির বিষয়ে কাজ করছে, যেখানে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক স্বার্থ ও জনগণের কল্যাণ নিশ্চিত থাকবে।

এ সময় তিনি দাবি করেন, পূর্ববর্তী সরকারের সময়ে আইএমএফের সঙ্গে করা কর্মসূচিতে এমন কিছু শর্ত ছিল, যা বর্তমান সরকারের কাছে গ্রহণযোগ্য নয়। সে কারণেই সরকার ওই কর্মসূচি থেকে সরে এসেছে।

অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘যে কর্মসূচিতেই আমরা অংশ নিই না কেন, সেখানে বাংলাদেশের জনগণের স্বার্থ শতভাগ সংরক্ষিত থাকবে।’

সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে দেশের চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি, অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং আন্তর্জাতিক আর্থিক সহযোগিতা নিয়েও সরকারের অবস্থান তুলে ধরেন তিনি।

এ সময় জাতীয় সংসদের সাবেক স্পিকার ও সাবেক অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেন অর্থমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‘ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার একজন সৎ, দক্ষ ও নিবেদিতপ্রাণ রাজনীতিক ছিলেন। জাতীয় সংসদের স্পিকার হিসেবে তিনি নিষ্ঠা ও সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন। তাঁর মৃত্যু দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনের জন্য অপূরণীয় ক্ষতি।’

অর্থমন্ত্রী আরও জানান, দেশের অর্থনৈতিক গতিশীলতা বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের গ্রহণযোগ্যতা বাড়াতে বর্তমান ভিসা নীতি সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

তার ভাষ্য, ‘আধুনিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হলে ভিসা নীতিকে আরও সহজ, কার্যকর ও সময়োপযোগী করতে হবে।’

তিনি আশা প্রকাশ করেন, ভিসা নীতির আধুনিকায়নের মাধ্যমে দেশে বিদেশি পর্যটকের সংখ্যা বাড়বে, বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট হবে এবং আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশের প্রতি আস্থা আরও সুদৃঢ় হবে।


This page has been printed from Entrepreneur Bangladesh - https://www.entrepreneurbd.com/13621 ,   Print Date & Time: Wednesday, 23 September 2026, 05:42:57 AM
Developed by: Dotsilicon [www.dotsilicon.com]
© 2026 Entrepreneur Bangladesh