• হোম > রাজনীতি > চীনা রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে ডা. শফিকুর রহমানের বৈঠক, গুরুত্ব পেল তিস্তা ও রোহিঙ্গা ইস্যু

চীনা রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে ডা. শফিকুর রহমানের বৈঠক, গুরুত্ব পেল তিস্তা ও রোহিঙ্গা ইস্যু

  • মঙ্গলবার, ৭ জুলাই ২০২৬, ১৮:৫৯
  • ৪৯

---

ই-বাংলাদেশ ডেস্ক

জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন। বৈঠকে তিস্তা ব্যারেজ মহাপরিকল্পনা, চীন-মিয়ানমার-বাংলাদেশ ইকোনমিক করিডোর (বিসিএমইসি), বাংলাদেশে চীনের বিনিয়োগ এবং রোহিঙ্গা প্রত্যাবর্তনসহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) বেলা সাড়ে ১১টায় রাজধানীর মিন্টো রোডে বিরোধীদলীয় নেতার সরকারি বাসভবনে এই সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠকে বাংলাদেশ ও চীনের দীর্ঘদিনের অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক, বাণিজ্যিক, কূটনৈতিক ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার বিষয়ে উভয় পক্ষ আশাবাদ ব্যক্ত করেন। একই সঙ্গে উন্নয়ন সহযোগিতা, পারস্পরিক বিনিয়োগ এবং দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে আরও গতিশীল করতে একযোগে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।

আলোচনায় দুই দেশের ঐতিহাসিক বন্ধুত্বের গুরুত্ব তুলে ধরে বলা হয়, জনগণের কল্যাণ, উন্নয়ন সহযোগিতা, বাণিজ্য সম্প্রসারণ এবং সাংস্কৃতিক বিনিময়ে বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। ভবিষ্যতে এই সম্পর্ক আরও বহুমাত্রিক ও শক্তিশালী হবে বলেও আশা প্রকাশ করা হয়।

বৈঠকে ডা. শফিকুর রহমান রোহিঙ্গা সংকটের দ্রুত ও টেকসই সমাধানে চীনের আরও কার্যকর সহযোগিতা কামনা করেন। তিনি মিয়ানমারে বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবর্তনের জন্য চীন সরকারের সক্রিয় ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

এছাড়া তিস্তা ব্যারেজ মহাপরিকল্পনা, চীন-মিয়ানমার-বাংলাদেশ ইকোনমিক করিডোর (বিসিএমইসি), বাংলাদেশে চীনা বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং সম্ভাব্য বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের বিষয়েও বিস্তারিত মতবিনিময় হয়।

বৈঠকে চীনা রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন দূতাবাসের রাজনৈতিক সেকশনের পরিচালক ঝ্যাং জিং এবং পলিটিক্যাল অ্যাটাশে রু কি।

অন্যদিকে ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে ছিলেন তার পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা ব্যারিস্টার মীর আহমদ বিন কাসেম আরমান এবং পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা কমিটির সদস্য আলী আহমাদ মাবরুর।

উভয় পক্ষ আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতে বাংলাদেশ ও চীনের পারস্পরিক সহযোগিতা, বিনিয়োগ, বাণিজ্য এবং উন্নয়ন অংশীদারিত্ব আরও বিস্তৃত হবে, যা দুই দেশের জনগণের জন্য ইতিবাচক সুফল বয়ে আনবে।


This page has been printed from Entrepreneur Bangladesh - https://www.entrepreneurbd.com/13304 ,   Print Date & Time: Saturday, 26 September 2026, 06:01:33 PM
Developed by: Dotsilicon [www.dotsilicon.com]
© 2026 Entrepreneur Bangladesh