• হোম > বাংলাদেশ > কার্বন ক্রেডিট অর্জনে সমন্বিত উদ্যোগের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

কার্বন ক্রেডিট অর্জনে সমন্বিত উদ্যোগের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

  • রবিবার, ৫ জুলাই ২০২৬, ১৮:৫০
  • ৭৮

 

---

ই-বাংলাদেশ ডেস্ক

দেশের কার্বন নিঃসরণ কমিয়ে আন্তর্জাতিক কার্বন বাজারে বাংলাদেশের সম্ভাবনা কাজে লাগানোর লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সংস্থাগুলোকে প্রয়োজনীয় কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

শনিবার (৫ জুলাই) বাংলাদেশ সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক এক বৈঠকে তিনি এ নির্দেশনা দেন। বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেসসচিব হাসান শিপলু জানিয়েছেন।

বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বৃদ্ধি, শিল্পখাতে পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তির প্রয়োগ, জ্বালানি দক্ষতা উন্নয়ন, বন সংরক্ষণ এবং ব্যাপক বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে কার্বন শোষণ বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক কার্বন বাজারে বাংলাদেশের সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে বাস্তবসম্মত পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে। একই সঙ্গে কার্বন ক্রেডিট ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত, নির্ভরযোগ্য তথ্যভাণ্ডার গড়ে তোলা এবং আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর সঙ্গে সমন্বয় বাড়ানোর ওপরও জোর দেন।

প্রধানমন্ত্রী কার্বন ক্রেডিট অর্জনের লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সংস্থাগুলোর কার্যক্রম সমন্বয়ের জন্য একটি কমিটি গঠনের নির্দেশ দেন।

বৈঠকে উপস্থিত মন্ত্রী ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা জানান, কার্বন নিঃসরণ কমাতে কার্যকর উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা গেলে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী বাংলাদেশের কার্বন ক্রেডিট অর্জনের সুযোগ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে।

কার্বন ক্রেডিট কী?

কার্বন ক্রেডিট হলো পরিবেশ সুরক্ষার একটি আন্তর্জাতিক আর্থিক ব্যবস্থা। বায়ুমণ্ডলে এক মেট্রিক টন কার্বন ডাই-অক্সাইড বা সমপরিমাণ গ্রিনহাউস গ্যাসের নিঃসরণ কমানো বা অপসারণের বিপরীতে একটি কার্বন ক্রেডিট প্রদান করা হয়।

অন্যদিকে, কার্বন ট্রেডিং হলো গ্রিনহাউস গ্যাসের নিঃসরণ নিয়ন্ত্রণে একটি বাজারভিত্তিক ব্যবস্থা। এতে নির্ধারিত সীমার বেশি কার্বন নিঃসরণকারী দেশ বা প্রতিষ্ঠানকে অতিরিক্ত কার্বন ক্রেডিট কিনতে হয়।

যেসব দেশ বা প্রতিষ্ঠান বনায়ন, নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার, জ্বালানি দক্ষতা বৃদ্ধি এবং পরিচ্ছন্ন প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে কার্বন নিঃসরণ কমাতে সক্ষম হয়, তারা কার্বন ক্রেডিট অর্জন করে তা আন্তর্জাতিক বাজারে বিক্রি করতে পারে। এর মাধ্যমে পরিবেশ সুরক্ষার পাশাপাশি বৈদেশিক আয় অর্জনের সুযোগও তৈরি হয়।


This page has been printed from Entrepreneur Bangladesh - https://www.entrepreneurbd.com/13155 ,   Print Date & Time: Monday, 12 October 2026, 05:12:36 AM
Developed by: Dotsilicon [www.dotsilicon.com]
© 2026 Entrepreneur Bangladesh