![]()
২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর অন্যতম আকর্ষণীয় ম্যাচে রোববার মুখোমুখি হবে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল ও নরওয়ে। ম্যাচটি সামনে রেখে ফুটবল পরিসংখ্যানভিত্তিক প্রতিষ্ঠান অপ্টা তাদের সুপার কম্পিউটারের মাধ্যমে ২৫ হাজারবার ম্যাচটির সম্ভাব্য ফলাফল সিমুলেশন চালিয়েছে। সেই বিশ্লেষণে স্পষ্টভাবেই এগিয়ে রাখা হয়েছে ব্রাজিলকে।
অপ্টার হিসাব অনুযায়ী, নির্ধারিত ৯০ মিনিটে ব্রাজিলের জয়ের সম্ভাবনা ৫৩.৬ শতাংশ। অন্যদিকে নরওয়ের জয়ের সম্ভাবনা ২২.৪ শতাংশ, আর ম্যাচ ড্র হয়ে অতিরিক্ত সময় বা টাইব্রেকারে গড়ানোর সম্ভাবনা ২৪ শতাংশ।
সব ধরনের সম্ভাবনা মিলিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠার সম্ভাবনাও ব্রাজিলের পক্ষেই বেশি। সুপার কম্পিউটারের বিশ্লেষণে ব্রাজিলের শেষ আটে জায়গা করে নেওয়ার সম্ভাবনা ৬৫.৬ শতাংশ, যেখানে নরওয়ের সম্ভাবনা ৩৪.৫ শতাংশ। জয়ী দল কোয়ার্টার ফাইনালে মুখোমুখি হবে ইংল্যান্ড অথবা মেক্সিকোর।
বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর ইতিহাসও ব্রাজিলের পক্ষেই কথা বলছে। নিজেদের শেষ ১০টি শেষ ষোলোর ম্যাচের মধ্যে ৯টিতেই জয় পেয়ে পরের রাউন্ডে উঠেছে সেলেসাওরা। একমাত্র ব্যতিক্রম ১৯৯০ সালের বিশ্বকাপ, যখন আর্জেন্টিনার কাছে ১-০ গোলে হেরে বিদায় নিতে হয়েছিল।
অন্যদিকে, নরওয়ে এবারই প্রথম বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে জয় পেয়েছে। শেষ ৩২-এর লড়াইয়ে আইভরি কোস্টকে ২-১ গোলে হারিয়ে তারা শেষ ষোলো নিশ্চিত করে। ওই ম্যাচে ৮৬তম মিনিটে জয়সূচক গোল করেন আর্লিং হালান্ড। এর আগে বড় কোনো আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টের নকআউট পর্বে নরওয়ে মাত্র দুটি ম্যাচ খেলেছিল এবং দুটিতেই ইতালির কাছে হেরেছিল—১৯৩৮ ও ১৯৯৮ সালের বিশ্বকাপে।
ব্রাজিলও অবশ্য আগের রাউন্ডে সহজে জিততে পারেনি। জাপানের বিপক্ষে ২-১ ব্যবধানে জয় পেতে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয়েছে তাদের। জাপানের হয়ে কাইশু সানো গোল করার পর সমতা ফেরান কাসেমিরো। পরে যোগ করা সময়ে গ্যাব্রিয়েল মার্তিনেল্লির গোলে জয় নিশ্চিত করে ব্রাজিল। সেই গোলের অ্যাসিস্ট করেন ব্রুনো গিমারায়েস।
এই বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত ব্রুনো গিমারায়েসের অ্যাসিস্ট সংখ্যা চারটি। ১৯৬৬ সালের পর এক বিশ্বকাপে ব্রাজিলের হয়ে এর চেয়ে বেশি অ্যাসিস্ট করেছেন কেবল কিংবদন্তি পেলে, যিনি ১৯৭০ সালের বিশ্বকাপে ছয়টি অ্যাসিস্ট করেছিলেন।