![]()
ই-বাংলাদেশ ডেস্ক
জাতীয় সংসদে কণ্ঠভোটে পাস হয়েছে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার জাতীয় বাজেট। মঙ্গলবার (৩০ জুন) সংসদে বাজেট অনুমোদনের পর জানানো হয়, নতুন অর্থবছরের এই বাজেট আগামী ১ জুলাই থেকে কার্যকর হবে।
পাস হওয়া বাজেট অনুযায়ী, আগামী অর্থবছরে মোট ব্যয়ের মধ্যে ৬ লাখ ৫ হাজার ৭৪০ কোটি টাকা পরিচালন খাতে এবং ৩ লাখ ১৬ হাজার ৭৫ কোটি টাকা উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে ব্যয় করা হবে।
পরিচালন ব্যয়ের সবচেয়ে বড় অংশই যাবে সরকারের ঋণের সুদ পরিশোধে। এছাড়া নতুন বেতন কাঠামো অনুযায়ী সরকারি চাকরিজীবীদের মূল বেতন কার্যকর হওয়ায় বেতন-ভাতা ও পেনশন খাতেও ব্যয়ের চাপ উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে।
সরকার আগামী অর্থবছরে অনুদানসহ মোট আয় ৭ লাখ ১ হাজার ১৫০ কোটি টাকা অর্জনের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। এর মধ্যে ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা আসবে রাজস্ব আয় থেকে।
বাজেট অনুযায়ী, সরকারের মোট আয়ের ৮৬ দশমিক ১ শতাংশ আসবে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)-এর কর রাজস্ব থেকে। এছাড়া করবহির্ভূত বিভিন্ন উৎস থেকে আসবে প্রায় ৯ দশমিক ৪ শতাংশ আয়।
বিশ্লেষকদের মতে, সরকারের রাজস্ব আহরণের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনই নতুন বাজেট বাস্তবায়নের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। নির্ধারিত হারে কর আদায় সম্ভব না হলে বাজেট বাস্তবায়নে চাপ তৈরি হতে পারে।
নতুন বাজেটে সরকারের মোট আয় ও ব্যয়ের মধ্যে ২ লাখ ৪৩ হাজার কোটি টাকার ঘাটতি ধরা হয়েছে। এই ঘাটতি পূরণে সরকার অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক ঋণসহ বিভিন্ন উৎস থেকে অর্থ সংগ্রহ করবে।
সরকারের প্রত্যাশা, নতুন অর্থবছরের বাজেট বাস্তবায়নের মাধ্যমে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, কর্মসংস্থান, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং রাজস্ব ব্যবস্থাপনায় ইতিবাচক অগ্রগতি অর্জিত হবে।