• হোম > অর্থনীতি > ২০২৬-২৭ অর্থবছরে জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৬.১% হতে পারে, নীতি সুদহার অপরিবর্তিত রাখল বাংলাদেশ ব্যাংক

২০২৬-২৭ অর্থবছরে জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৬.১% হতে পারে, নীতি সুদহার অপরিবর্তিত রাখল বাংলাদেশ ব্যাংক

  • মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬, ১৯:৫৮
  • ২১৩

---

ই-বাংলাদেশ ডেস্ক

২০২৬-২৭ অর্থবছরের জুলাই-ডিসেম্বর মেয়াদের জন্য নতুন মুদ্রানীতি (মনিটারি পলিসি স্টেটমেন্ট-এমপিএস) প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। নতুন মুদ্রানীতিতে আগামী অর্থবছরে দেশের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি ৬ দশমিক ১ শতাংশ হতে পারে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। তবে এই প্রক্ষেপণ জাতীয় বাজেটে নির্ধারিত ৬ দশমিক ৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধি লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় কিছুটা কম।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) প্রকাশিত মুদ্রানীতিতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানিয়েছে, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ এবং সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখার লক্ষ্যে মূল নীতি সুদহার অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) সাময়িক হিসাব অনুযায়ী, সদ্য সমাপ্ত ২০২৫-২৬ অর্থবছরে দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৪ দশমিক ১৪ শতাংশ। আগের অর্থবছরে এই প্রবৃদ্ধি ছিল ৩ দশমিক ৪৯ শতাংশ। নতুন মুদ্রানীতিতে এই ইতিবাচক ধারা অব্যাহত রাখার পাশাপাশি বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, সরকারের নতুন অর্থনৈতিক কৌশলে প্রবৃদ্ধি-সহায়ক নীতির পাশাপাশি আর্থিক শৃঙ্খলা বজায় রাখার বিষয়টি অগ্রাধিকার পেয়েছে। এ লক্ষ্যে কর সংস্কার, সরকারি ব্যয়ের যৌক্তিকীকরণ, লক্ষ্যভিত্তিক ভর্তুকি, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির সম্প্রসারণ এবং উন্নয়ন ব্যয়ে গুরুত্ব দেওয়া হবে।

মুদ্রানীতিতে আরও বলা হয়েছে, অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করতে সরকার কাঠামোগত সংস্কার বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছে। এর মাধ্যমে বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরি, সরকারি সেবার মানোন্নয়ন, ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রক্রিয়া সহজ করা এবং সরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় জোরদারের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

এদিকে বাজারে তারল্য ও মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে বাংলাদেশ ব্যাংক নীতি সুদহারে কোনো পরিবর্তন আনেনি। ফলে পলিসি রেপো রেট ১০ শতাংশ, স্ট্যান্ডিং লেন্ডিং ফ্যাসিলিটি (এসএলএফ) ১১ দশমিক ৫ শতাংশ এবং স্ট্যান্ডিং ডিপোজিট ফ্যাসিলিটি (এসডিএফ) ৭ দশমিক ৫ শতাংশে বহাল থাকবে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মতে, আগামী অর্থবছরে সরকারের ‘থ্রিআর (3R)’ কৌশলের প্রথম ধাপে অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার, স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং অর্থনৈতিক ধাক্কা থেকে দুর্বল জনগোষ্ঠীকে সুরক্ষা দেওয়ার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে। একই সঙ্গে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি শক্তিশালী করা, সরকারি সেবার দক্ষতা বৃদ্ধি এবং অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে গতি ফেরানোর উদ্যোগও অব্যাহত থাকবে।


This page has been printed from Entrepreneur Bangladesh - https://www.entrepreneurbd.com/12807 ,   Print Date & Time: Monday, 24 August 2026, 06:13:32 AM
Developed by: Dotsilicon [www.dotsilicon.com]
© 2026 Entrepreneur Bangladesh