• হোম > বিদেশ > ট্রাম্পের ঘোষণার পরও দোহা বৈঠক ঝুলে গেল, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় না ইরান

ট্রাম্পের ঘোষণার পরও দোহা বৈঠক ঝুলে গেল, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় না ইরান

  • মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬, ১৭:৪৪
  • ৪৪

 

 ---

ই-বাংলাদেশ ডেস্ক

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কাতারের রাজধানী দোহায় ইরান-যুক্তরাষ্ট্র বৈঠকের ঘোষণা দিলেও, তা নিয়ে নতুন অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় স্পষ্ট জানিয়েছে, ওয়াশিংটনের সঙ্গে সরাসরি কোনো বৈঠকের পরিকল্পনা বর্তমানে নেই। তবে সমঝোতা স্মারকের বাস্তবায়ন এবং জব্দকৃত ইরানি অর্থ ছাড়ের বিষয়টি নিয়ে আলোচনার জন্য বিশেষজ্ঞ প্রতিনিধিদল দোহায় পাঠানো হবে।

পাল্টাপাল্টি হামলার পর মঙ্গলবার কাতারে দুই দেশের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে বলে নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম Truth Social-এ জানিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি দাবি করেন, তেহরানের অনুরোধেই এই বৈঠকের সিদ্ধান্ত হয়েছে।

ট্রাম্প বলেন, যুক্তরাষ্ট্র সামরিকভাবে সফল হয়েছে এবং এখন মূল লক্ষ্য হলো ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ন্ত্রণে আনা। তার ভাষ্য, ইরান পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করবে না এবং এ বিষয়ে তারা সম্মত হয়েছে।

তবে ট্রাম্পের এই বক্তব্যের পরই ভিন্ন অবস্থান জানায় ইরান। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো পর্যায়ে সরাসরি আলোচনার পরিকল্পনা নেই। ফলে দোহায় সম্ভাব্য বৈঠক নিয়ে ধোঁয়াশা আরও বেড়েছে।

ইরানি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, গত ১৭ জুন স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকের বাস্তবায়ন তদারকি এবং বিদেশে জব্দ থাকা ইরানের অর্থ ছাড়ের বিষয়ে আলোচনা করতে চলতি সপ্তাহেই একটি বিশেষজ্ঞ প্রতিনিধিদল কাতারে যাবে।

এর আগে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান যুক্তরাষ্ট্রের হামলার হুমকিকে ভিত্তিহীন ও অযৌক্তিক বলে নিন্দা জানান। তিনি বলেন, ওয়াশিংটন যদি সমঝোতা স্মারকের শর্ত মেনে চলে, তাহলে তেহরানও তার প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করবে।

এদিকে হরমুজ প্রণালিকে কেন্দ্র করেও নতুন উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। প্রণালিতে মাইন অপসারণে ফ্রান্স ও ওমানের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে ইরান। দেশটির উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজিম গরিবাবাদি সতর্ক করে বলেছেন, সংবেদনশীল এই পরিস্থিতিতে বাইরের কোনো উসকানিমূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করা উচিত হবে না।

বিশ্লেষকদের মতে, কাতার বৈঠক ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের পরস্পরবিরোধী অবস্থান মধ্যপ্রাচ্যের চলমান কূটনৈতিক পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে। একই সঙ্গে পারমাণবিক সমঝোতা ও আঞ্চলিক নিরাপত্তা ইস্যুতেও নতুন করে অনিশ্চয়তা তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।


This page has been printed from Entrepreneur Bangladesh - https://www.entrepreneurbd.com/12801 ,   Print Date & Time: Monday, 24 August 2026, 04:28:16 AM
Developed by: Dotsilicon [www.dotsilicon.com]
© 2026 Entrepreneur Bangladesh