• হোম > বাংলাদেশ > আর্সেনিকমুক্ত পানির উৎস স্থাপনে অগ্রগতি, ঝুঁকি কমে ৫-৬ শতাংশে নামানোর লক্ষ্য

আর্সেনিকমুক্ত পানির উৎস স্থাপনে অগ্রগতি, ঝুঁকি কমে ৫-৬ শতাংশে নামানোর লক্ষ্য

  • মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬, ১৬:৫০
  • ৪৩

---

 

ই-বাংলাদেশ ডেস্ক

বর্তমানে বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার প্রায় ১১ শতাংশ মানুষ আর্সেনিক দূষণের ঝুঁকিতে রয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনের প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এ তথ্য তুলে ধরেন। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। লিখিত প্রশ্নোত্তরে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) ও ইউনিসেফের যৌথ মাল্টিপল ইন্ডিকেটর ক্লাস্টার সার্ভে (MICS) ২০১৯-এর তথ্য উপস্থাপন করা হয়।

সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য সেলিনা সুলতানা জানতে চান, দেশে আর্সেনিক দূষণের ঝুঁকি মোকাবিলায় সরকার কী পদক্ষেপ নিয়েছে এবং এসব উদ্যোগের অগ্রগতি কী।

জবাবে মন্ত্রী বলেন, বর্তমানে দেশের মোট জনসংখ্যার ১১ শতাংশ আর্সেনিক দূষণের ঝুঁকিতে থাকলেও এ ঝুঁকি কমাতে স্থানীয় সরকার বিভাগের অধীন জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর (ডিপিএইচই) বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে।

তিনি জানান, নিরাপদ পানি নিশ্চিত করতে ২০২৬ সালের মধ্যে প্রায় ১২ লাখ ১৫ হাজার ৯৪৮টি আর্সেনিকমুক্ত পানির উৎস স্থাপন করা হয়েছে। এসব উদ্যোগের আওতায় গভীর নলকূপের পাশাপাশি পাইপলাইনের মাধ্যমে পানি সরবরাহ, বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ, পুকুর খনন ও পুনঃখনন এবং সৌরচালিত পন্ড স্যান্ড ফিল্টার স্থাপন করা হয়েছে।

মন্ত্রী আশা প্রকাশ করে বলেন, চলমান প্রকল্পগুলোর সফল বাস্তবায়নের মাধ্যমে আর্সেনিক দূষণের ঝুঁকিতে থাকা মানুষের হার ২০২৬ সালের মধ্যে ৫ থেকে ৬ শতাংশে নেমে আসবে।

বাস্তবায়িত প্রকল্পের অগ্রগতি

সরকারি তথ্য অনুযায়ী, বিভিন্ন প্রকল্পের আওতায় নিরাপদ পানির উৎস স্থাপনের চিত্র হলো—

  • সমগ্র দেশে নিরাপদ পানি সরবরাহ প্রকল্পে ৬ লাখ ১৫ হাজার ৪৯৭টি পানির উৎস স্থাপন।
  • উপকূলীয় এলাকায় বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ প্রকল্পে ১ লাখ ৯৯ হাজার ৪৮৫টি পানির উৎস স্থাপন।
  • পানি সরবরাহে আর্সেনিক ঝুঁকি নিরসন প্রকল্পে ১ লাখ ৭৪ হাজার ৬৭৬টি পানির উৎস স্থাপন।
  • পল্লী অঞ্চলে পানি সরবরাহ প্রকল্পে ৮৮ হাজার ২৩৫টি পানির উৎস স্থাপন।
  • অগ্রাধিকারমূলক গ্রামীণ পানি সরবরাহ প্রকল্পে ১ লাখ ৩৮ হাজার ৫৫টি পানির উৎস স্থাপন।

সরকারের দাবি, এসব উদ্যোগের মাধ্যমে নিরাপদ সুপেয় পানির প্রাপ্যতা বাড়ানোর পাশাপাশি আর্সেনিকজনিত স্বাস্থ্যঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে আনা সম্ভব হবে।


This page has been printed from Entrepreneur Bangladesh - https://www.entrepreneurbd.com/12792 ,   Print Date & Time: Monday, 24 August 2026, 01:43:52 AM
Developed by: Dotsilicon [www.dotsilicon.com]
© 2026 Entrepreneur Bangladesh