• হোম > দেশজুড়ে | বাংলাদেশ | শিক্ষা > বৈষম্যহীন ও দক্ষ শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তোলাই সরকারের লক্ষ্য: মাহদী আমিন

বৈষম্যহীন ও দক্ষ শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তোলাই সরকারের লক্ষ্য: মাহদী আমিন

  • মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬, ০৭:০০
  • ৩২

বৈষম্যহীন ও দক্ষ শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তোলাই সরকারের লক্ষ্য: মাহদী আমিন

দেশের তৃণমূল থেকে প্রান্তিক পর্যায়ের সব শিক্ষার্থীর জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করে একটি বৈষম্যহীন, দক্ষ ও আধুনিক শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তোলাই বর্তমান সরকারের লক্ষ্য বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা ড. মাহদী আমিন।

সোমবার (২৯ জুন) রাজধানীর শেরে বাংলা নগরের বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি এবং জাতীয় পর্যায়ের ‘স্টার্টআপ, সায়েন্স প্রজেক্ট ও ইনোভেশন আইডিয়া শোকেসিং’ প্রদর্শনী ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

ড. মাহদী আমিন বলেন, রাষ্ট্রের সঠিক পরিকল্পনা ও ধারাবাহিক পৃষ্ঠপোষকতা নিশ্চিত করা গেলে আজকের খুদে বিজ্ঞানীদের মধ্য থেকেই আগামী দিনের বিশ্বমানের বিজ্ঞানী, গবেষক ও উদ্ভাবক তৈরি হবে।

তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী এমন একটি শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তুলতে চান, যেখানে মুখস্থনির্ভর শিক্ষা নয়; বরং দক্ষতা, যোগ্যতা, সংস্কৃতি, খেলাধুলা এবং মানবিক মূল্যবোধের সমন্বিত বিকাশ ঘটবে। একই সঙ্গে প্রতিটি শিক্ষার্থী যেন তার মেধা ও সক্ষমতা অনুযায়ী রাষ্ট্রীয় সহযোগিতা পায় এবং ভবিষ্যতে শুধু চাকরিপ্রার্থী নয়, বরং উদ্যোক্তা ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিকারী হিসেবে গড়ে উঠতে পারে।

জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের অতীতের বিভিন্ন উদ্যোগের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে এমন কর্মসূচির ঘাটতি থাকলেও ফাউন্ডেশনটি দীর্ঘদিন ধরে ভার্চুয়াল সায়েন্স প্রজেক্টসহ নানা সৃজনশীল কার্যক্রম পরিচালনা করেছে। একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান যদি ধারাবাহিকভাবে তরুণদের মেধা বিকাশে কাজ করতে পারে, তাহলে রাষ্ট্রের আরও বৃহৎ পরিসরে কাজ করা উচিত। সেই চিন্তা থেকেই সরকার জাতীয় পর্যায়ে এ ধরনের আয়োজন শুরু করেছে।

শিক্ষা উপদেষ্টা বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচনী ইশতেহারের আলোকে শিক্ষাক্ষেত্রে ১০টি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গীকার বাস্তবায়নের চেষ্টা চলছে। দেশের ৬৪ জেলার প্রতিটি ইউনিয়ন থেকে স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হয়েছে। কোনো ভৌগোলিক, ধর্মীয় বা রাজনৈতিক বৈষম্য ছাড়াই প্রান্তিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের এই কর্মসূচিতে যুক্ত করা হয়েছে। তিনি বিশেষভাবে ছাত্রীদের উল্লেখযোগ্য অংশগ্রহণকে নারী শিক্ষায় বাংলাদেশের অগ্রগতির ইতিবাচক দৃষ্টান্ত হিসেবে তুলে ধরেন।

চূড়ান্ত পর্বে স্থান পাওয়া উদ্ভাবনী প্রকল্পগুলোর বিষয়ে তিনি বলেন, এসব প্রকল্প নিয়মিত পর্যবেক্ষণ ও প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হবে। সম্ভাবনাময় উদ্যোগগুলোকে অর্থনৈতিক সহায়তা দেওয়ার পাশাপাশি প্রতি মাসে অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হবে, যাতে সেগুলো সফল স্টার্টআপে পরিণত হয়ে নতুন বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করতে পারে।


This page has been printed from Entrepreneur Bangladesh - https://www.entrepreneurbd.com/12749 ,   Print Date & Time: Monday, 17 August 2026, 12:06:37 AM
Developed by: Dotsilicon [www.dotsilicon.com]
© 2026 Entrepreneur Bangladesh