![]()
বিশ্বকাপে দুর্দান্ত ছন্দে রয়েছে ফ্রান্স, আর সেই সাফল্যের কেন্দ্রবিন্দুতে আছেন কিলিয়ান এমবাপ্পে। রিয়াল মাদ্রিদের এই ফরাসি তারকার প্রশংসায় পঞ্চমুখ হয়েছেন ব্রাজিলের কিংবদন্তি স্ট্রাইকার রোনালদো নাজারিও। তার মতে, এমবাপ্পের খেলার ধরন তাকে নিজের সেরা সময়ের কথা মনে করিয়ে দেয়।
এবারের বিশ্বকাপে প্রথম তিন ম্যাচেই চার গোল ও দুটি অ্যাসিস্ট করেছেন এমবাপ্পে। সেনেগালের বিপক্ষে জোড়া গোল করে টুর্নামেন্টে নিজের গোলের খাতা খোলার পর ইরাকের বিপক্ষেও করেন আরও দুটি গোল। নরওয়ের বিপক্ষে গোল না পেলেও দুটি গোল করিয়ে দলের আক্রমণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন তিনি।
দীর্ঘদিন ধরেই লিওনেল মেসি ও ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর উত্তরসূরি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছেন এমবাপ্পে। তবে ব্রাজিলের কিংবদন্তি রোনালদো এবার তার মধ্যে নিজের খেলোয়াড়ি জীবনের ছায়াও দেখতে পাচ্ছেন।
ফরাসি সংবাদমাধ্যম লে’কিপ-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে রোনালদো বলেন, ‘আপনাকে এটাও ভাবতে হবে যে আপনি পেছনে কী কীর্তি রেখে যাচ্ছেন। তবে কোনো সন্দেহ ছাড়াই মেসি ও এমবাপ্পে—দুজনই এমন খেলোয়াড়, যারা পরিসংখ্যানের ঊর্ধ্বে।’
মেসির প্রশংসা করে তিনি বলেন, ‘ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সেরা খেলোয়াড় মেসি। সে আজও সমান প্রভাবশালী এবং ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ করে দিতে পারে।’
এরপর এমবাপ্পেকে নিয়ে রোনালদো বলেন, ‘এমবাপ্পের খেলার ধরন আমাকে আমার সেরা সময়ের কথা মনে করিয়ে দেয়। বর্তমান বিশ্বের অন্যতম সেরা ফুটবলার সে এবং এই খেলার কিংবদন্তিদের যোগ্য উত্তরসূরি।’
বিশ্বকাপে শুধু এমবাপ্পেই নন, উজ্জ্বল পারফরম্যান্স করছেন রিয়াল মাদ্রিদের আরও কয়েকজন ফুটবলার। এখন পর্যন্ত টুর্নামেন্টে ক্লাব হিসেবে সবচেয়ে বেশি ১১টি গোল এসেছে রিয়ালের খেলোয়াড়দের পা থেকে। এর মধ্যে এমবাপ্পে ও ভিনিসিয়ুস জুনিয়র করেছেন চারটি করে গোল, ইংল্যান্ডের হয়ে জুড বেলিংহামের ঝুলিতে রয়েছে দুটি গোল এবং তুরস্কের হয়ে একটি গোল করেছেন আরদা গুলের।
এর ফলে ১৯৯৮ সালের বিশ্বকাপে রিয়াল মাদ্রিদের খেলোয়াড়দের করা ১২ গোলের রেকর্ড ভাঙার খুব কাছাকাছি পৌঁছে গেছে স্প্যানিশ ক্লাবটি। আর মাত্র একটি গোল হলেই বিশ্বকাপের ইতিহাসে নতুন মাইলফলক গড়বে লস ব্লাঙ্কোসের ফুটবলাররা।