![]()
রোমাঞ্চকর এক লড়াইয়ের পর শেষ মুহূর্তের গোলে জাপানকে ২-১ ব্যবধানে হারিয়ে শেষ ষোলোর টিকিট নিশ্চিত করেছে ব্রাজিল। ম্যাচজুড়ে আধিপত্য বিস্তার করেও প্রথমার্ধে পিছিয়ে পড়েছিল সেলেসাওরা। তবে দ্বিতীয়ার্ধে দারুণ প্রত্যাবর্তন করে জয় ছিনিয়ে নেয় পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।
শুরু থেকেই বলের দখল ও আক্রমণে এগিয়ে ছিল ব্রাজিল। ব্রুনো গিমারায়েস, ভিনিসিয়ুস জুনিয়র, মাতেউস কুনিয়া ও দানিলোর একের পর এক প্রচেষ্টা জাপানের শক্ত রক্ষণভাগ এবং গোলরক্ষক সুজুকির দৃঢ়তায় ব্যর্থ হয়। আক্রমণের ধার বাড়াতে থাকা ব্রাজিলকে উল্টো ২৯তম মিনিটে চমকে দেয় জাপান। মাঝমাঠ থেকে দ্রুতগতির পাল্টা আক্রমণে সানো বক্সের বাইরে থেকে দুর্দান্ত শটে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন।
গোল হজমের পর সমতায় ফেরার মরিয়া চেষ্টা চালালেও প্রথমার্ধে আর গোলের দেখা পায়নি ব্রাজিল। বিরতির পর কোচ কার্লো আনচেলত্তি পরিবর্তন এনে পাকেতার বদলে এন্দ্রিককে মাঠে নামান। এরপর আরও আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে ব্রাজিল।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই গিমারায়েসের হেড অসাধারণ দক্ষতায় রুখে দেন সুজুকি। ৫৫তম মিনিটে কাসেমিরোর আরেকটি হেড গোললাইন থেকে ফিরিয়ে দেন তোমিয়াসু। তবে পরের মিনিটেই সমতায় ফেরে ব্রাজিল। জাপানের রক্ষণভাগের ভুলের সুযোগ নিয়ে কাছ থেকে বল জালে জড়িয়ে দেন কাসেমিরো।
সমতার পরও জয়ের খোঁজে আক্রমণ চালিয়ে যেতে থাকে ব্রাজিল। ভিনিসিয়ুসের দুর্দান্ত একক প্রচেষ্টার শট পোস্টে লেগে ফিরে আসে। এন্দ্রিক, রায়ান ও গিমারায়েসও সুযোগ পেয়েও গোল করতে পারেননি।
ম্যাচ যখন ড্রয়ের দিকেই এগোচ্ছিল, তখন ইনজুরি সময়ের শেষ মুহূর্তে আসে ব্রাজিলের কাঙ্ক্ষিত সাফল্য। ৯৬তম মিনিটে জাপানের রক্ষণভাগের ভুলে বল পেয়ে গিমারায়েস চমৎকার থ্রু পাস বাড়ান গ্যাব্রিয়েল মার্তিনেল্লির উদ্দেশে। বল নিয়ন্ত্রণে নিয়ে গোলরক্ষক সুজুকিকে পরাস্ত করে নিখুঁত শটে জালে বল পাঠান মার্তিনেল্লি।
তার শেষ মুহূর্তের সেই গোলে ২-১ ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করে ব্রাজিল। নাটকীয় এই জয়ের মধ্য দিয়ে শেষ ষোলোর টিকিট কেটে নকআউট পর্বে নিজেদের অভিযান এগিয়ে নিল সেলেসাওরা।