![]()
ইরান দাবি করেছে, যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক বিমান হামলা গত ১৮ জুন ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে স্বাক্ষরিত যুদ্ধবিরতি-সংক্রান্ত সমঝোতা স্মারক (এমওইউ)-এর স্পষ্ট লঙ্ঘন। একই সঙ্গে ইরানি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় অভিযোগ করেছে, প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করা প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের স্বভাবগত বৈশিষ্ট্য।
এর আগে শনিবার যুক্তরাষ্ট্রের মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড জানায়, হরমুজ প্রণালিতে একটি বাণিজ্যিক জাহাজে ইরানের হামলার জবাবে মার্কিন নৌ ও বিমানবাহিনী ইরানের ১০টি সামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে।
এর পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস দাবি করে, তারা বাহরাইন ও কুয়েতে অবস্থিত মার্কিন সামরিক স্থাপনাগুলোতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে।
রোববার দেওয়া এক বিবৃতিতে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, ‘এটি আবারও প্রমাণ করল, যুক্তরাষ্ট্র তাদের দেওয়া প্রতিশ্রুতির কোনো মূল্য দেয় না। প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করা এই সরকারের স্বভাবেরই অংশ।’
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘মার্কিন সামরিক আগ্রাসনের বিরুদ্ধে নিজেদের জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও ভৌগোলিক অখণ্ডতা রক্ষায় ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরান দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।’
এদিকে মার্কিন হামলার পর নতুন করে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছে আইআরজিসির নৌবাহিনী। এক বিবৃতিতে তারা বলেছে, ‘মধ্যপ্রাচ্যে থাকা মার্কিন ঘাঁটিগুলো নরকযন্ত্রণা ভোগ করবে।’
আইআরজিসি আরও দাবি করেছে, দক্ষিণ ইরানের সিরিক শহরে যুক্তরাষ্ট্রের হামলা হরমুজ প্রণালির ওপর ইরানের নিয়ন্ত্রণকে কোনোভাবেই দুর্বল করতে পারেনি।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘নিয়ম ভঙ্গকারী জাহাজগুলোর ওপর আমাদের গুলি চালানো অন্য জাহাজগুলোর জন্যও স্পষ্ট বার্তা—কোন পথ দিয়ে নিরাপদে চলাচল করতে হবে।’