![]()
পরিসংখ্যানে ম্যাচজুড়ে আধিপত্য ছিল ক্রোয়েশিয়ার। তবে মাঠে সেই শ্রেষ্ঠত্বের প্রতিফলন ঘটাতে বেশ লড়াই করতে হয়েছে তাদের। শেষ পর্যন্ত ঘানাকে ২-১ গোলে হারিয়ে গ্রুপের রানার্সআপ হিসেবে বিশ্বকাপের শেষ ৩২ নিশ্চিত করেছে ইউরোপের দলটি।
ম্যাচের শুরু থেকেই বলের দখল ও আক্রমণে এগিয়ে ছিল ক্রোয়েশিয়া। সেই ধারাবাহিকতায় ৩১তম মিনিটে পিটার সুচিচের গোলে এগিয়ে যায় তারা। এই এক গোলের লিড নিয়েই বিরতিতে যায় ক্রোয়েশিয়া।
দ্বিতীয়ার্ধে সমতায় ফিরতে মরিয়া হয়ে ওঠে ঘানা। একের পর এক আক্রমণ চালিয়ে অবশেষে ৭৩তম মিনিটে লুকাসেনের গোলে সমতায় ফেরে আফ্রিকার প্রতিনিধিরা।
তবে সমতায় বেশিক্ষণ থাকতে দেয়নি ক্রোয়েশিয়া। ম্যাচের ৮৩তম মিনিটে নিকোলা ভ্লাসিচ জয়সূচক গোল করে আবারও এগিয়ে দেন দলকে। বাকি সময়ে আর কোনো গোল না হলে ২-১ ব্যবধানের জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে ক্রোয়েশিয়া।
এই জয়ে গ্রুপের পয়েন্ট তালিকায় তৃতীয় স্থান থেকে দ্বিতীয় স্থানে উঠে আসে ক্রোয়েশিয়া। অন্যদিকে পানামাকে হারিয়ে পূর্ণ ৯ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ইংল্যান্ড।
তবে হারলেও ঘানার বিশ্বকাপ অভিযান এখানেই শেষ হয়নি। সেরা তৃতীয় দলগুলোর একটি হিসেবে তারাও নিশ্চিত করেছে রাউন্ড অব ৩২-এর টিকিট। ফলে ইংল্যান্ড, ক্রোয়েশিয়া ও ঘানা—তিন দলই নকআউট পর্বে খেলবে।