• হোম > বাংলাদেশ > বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক সর্বোচ্চ পর্যায়ে উন্নীত, বড় মাইলফলক বললেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক সর্বোচ্চ পর্যায়ে উন্নীত, বড় মাইলফলক বললেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

  • শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ১৮:১০
  • ৩৮

---

 

ই-বাংলাদেশ ডেস্ক

বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যকার দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে সর্বোচ্চ পর্যায়ে উন্নীত করার বিষয়ে একমত হয়েছে দুই দেশ। এ উন্নয়নকে দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে অভিহিত করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান।

শনিবার (২৭ জুন) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক এখন নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। একই সঙ্গে তিনি জানান, চীনের প্রস্তাবিত করিডোর প্রকল্প নিয়ে সরকার এখনও পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালিয়ে যাচ্ছে এবং এ বিষয়ে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “আমরা চীনের করিডোর প্রস্তাবটি খতিয়ে দেখছি। তবে এখনো কোনো অবস্থান নিইনি।” তিনি জানান, করিডোর প্রকল্পে সরকারের আগ্রহের অন্যতম কারণ হলো পরিবহন ব্যয় কমিয়ে আনা এবং আঞ্চলিক যোগাযোগ আরও সহজ করা।

চীন সফর থেকে বাংলাদেশ কী অর্জন করেছে—সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে খলিলুর রহমান বলেন, “আমরা ভিক্ষার থলি নিয়ে যাই নাই। দুই দেশের সম্পর্কে অভিমুখ ঠিক করতে এই সফর। এটা ঠিক হলে বাকিগুলো ভবিষ্যতে আসবে। একটু আত্মসম্মানবোধ রাখেন। এ ধরনের বিব্রতকর প্রশ্ন করবেন না।”

তিস্তা নদী মহাপরিকল্পনা নিয়েও আশাবাদ ব্যক্ত করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি জানান, এ বিষয়ে চীনের সঙ্গে আলোচনায় উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে এবং খুব শিগগিরই প্রকল্পটির সম্ভাব্যতা যাচাই (ফিজিবিলিটি স্টাডি) শুরু হওয়ার আশা করছে সরকার।

দুই দেশের কৌশলগত সম্পর্কের গুরুত্ব তুলে ধরে খলিলুর রহমান বলেন, চীন বিশ্বের সব দেশের সঙ্গে সর্বোচ্চ পর্যায়ের দ্বিপক্ষীয় অংশীদারিত্ব বজায় রাখে না। এশিয়ায় থাইল্যান্ড, শ্রীলঙ্কা, কম্বোডিয়া, পাকিস্তান ও ইন্দোনেশিয়ার মতো অল্প কয়েকটি দেশের সঙ্গে বেইজিংয়ের এমন সম্পর্ক রয়েছে। এখন সেই তালিকায় বাংলাদেশও যুক্ত হয়েছে।

তিনি বলেন, “চীন সব দেশের সঙ্গে সর্বোচ্চ পর্যায়ের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক বজায় রাখে না। এশিয়ায় থাইল্যান্ড, শ্রীলঙ্কা, কম্বোডিয়া, পাকিস্তান এবং ইন্দোনেশিয়ার মতো হাতেগোনা কয়েকটি দেশের সঙ্গে তাদের এমন অংশীদারিত্ব রয়েছে। এখন বাংলাদেশও সেই তালিকায় যুক্ত হলো।”

পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ভাষ্য, এই সিদ্ধান্ত শুধু দুই দেশের সম্পর্কের গভীরতাই নয়, বরং পারস্পরিক আস্থা, বিশ্বাস এবং কৌশলগত সহযোগিতারও প্রতিফলন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, অবকাঠামো উন্নয়ন, যোগাযোগ, প্রযুক্তি ও অর্থনৈতিক সহযোগিতাসহ বিভিন্ন খাতে বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক আরও বিস্তৃত হবে।


This page has been printed from Entrepreneur Bangladesh - https://www.entrepreneurbd.com/12579 ,   Print Date & Time: Friday, 21 August 2026, 02:19:59 PM
Developed by: Dotsilicon [www.dotsilicon.com]
© 2026 Entrepreneur Bangladesh