• হোম > বাংলাদেশ > বাংলাদেশে এশিয়ার পরবর্তী অর্থনৈতিক বিস্ময়ে চীনা বিনিয়োগকারীদের যৌথ রূপকার হওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

বাংলাদেশে এশিয়ার পরবর্তী অর্থনৈতিক বিস্ময়ে চীনা বিনিয়োগকারীদের যৌথ রূপকার হওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

  • বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ১১:৫৫
  • ৫৩

বাংলাদেশে এশিয়ার পরবর্তী অর্থনৈতিক বিস্ময়ে চীনা বিনিয়োগকারীদের যৌথ রূপকার হওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চীনা কোম্পানিগুলোকে বাংলাদেশে তাদের মূল্যশৃঙ্খল সম্প্রসারণের আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, বাংলাদেশ এশিয়ার পরবর্তী বৃহৎ অর্থনৈতিক বিস্ময় গড়ার যৌথ অংশীদার হতে প্রস্তুত। তিনি চীনা বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান অভ্যন্তরীণ বাজার, দক্ষ জনশক্তি এবং কৌশলগত অবস্থানের সুবিধা কাজে লাগিয়ে বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান জানান।

বেইজিংয়ের দিয়াওইউতাই হোটেলে আয়োজিত বাংলাদেশ ইনভেস্টমেন্ট ফোরামে ব্যবসায়ী নেতা, শিল্পপতি ও প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের উদ্দেশে দেওয়া বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ চীনা কোম্পানিগুলোর জন্য শুধু একটি সম্ভাবনাময় বাজারই নয়, বরং বৈশ্বিক সরবরাহ শৃঙ্খলে আরও কার্যকর অংশীদার হওয়ার সুযোগও সৃষ্টি করতে পারে। তিনি বলেন, বাংলাদেশের বৃহৎ বাজার ও প্রতিযোগিতামূলক উৎপাদন সক্ষমতা চীনা বিনিয়োগকারীদের জন্য নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করবে।

প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, ইতোমধ্যেই অনেক চীনা প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশে সফলভাবে ব্যবসা পরিচালনা করছে। এসব প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশের জনগণের কর্মদক্ষতা, অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং উন্নয়নের সম্ভাবনা সম্পর্কে প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা অর্জন করেছে। তাদের সফলতা প্রমাণ করে যে বাংলাদেশ বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে সক্ষম।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশকে নতুন দৃষ্টিভঙ্গিতে দেখার এখনই উপযুক্ত সময়। সরকার বিনিয়োগকারীদের উদ্বেগ ও প্রত্যাশাকে গুরুত্ব দিয়ে আরও গতিশীল, স্বচ্ছ এবং সেবাকেন্দ্রিক বিনিয়োগ পরিবেশ গড়ে তুলতে কাজ করছে। বিনিয়োগের নিরাপত্তা, নীতিগত সহায়তা এবং ব্যবসা পরিচালনার সুবিধা নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতিও পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি।

তারেক রহমান বলেন, বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে অর্থনৈতিক সহযোগিতার নতুন অধ্যায় শুরু হতে পারে, যদি উভয় দেশ পারস্পরিক আস্থা ও সমমর্যাদার ভিত্তিতে কাজ করে। তিনি দীর্ঘমেয়াদি টেকসই প্রবৃদ্ধি, আঞ্চলিক উন্নয়ন এবং দুই দেশের যৌথ সমৃদ্ধির লক্ষ্যে বিনিয়োগ ও বাণিজ্যিক সহযোগিতা আরও জোরদারের আহ্বান জানান।

ভাষণের শেষাংশে প্রধানমন্ত্রী চীনা বিনিয়োগকারীদের উদ্দেশে বলেন, “বাংলাদেশে আসুন, বিনিয়োগ করুন এবং সমমর্যাদার অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে আমরা একসঙ্গে সমৃদ্ধির নতুন দিগন্ত উন্মোচন করি।” তিনি আশা প্রকাশ করেন, এই ফোরাম বাংলাদেশ-চীন অর্থনৈতিক সম্পর্ককে আরও গভীর ও ফলপ্রসূ পর্যায়ে নিয়ে যেতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।


This page has been printed from Entrepreneur Bangladesh - https://www.entrepreneurbd.com/12417 ,   Print Date & Time: Monday, 28 September 2026, 04:29:50 PM
Developed by: Dotsilicon [www.dotsilicon.com]
© 2026 Entrepreneur Bangladesh