![]()
আগামী রোববার (২১ জুন) একদিনের সরকারি সফরে মালয়েশিয়া যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী Tarun Rahman। সফর শেষে তিনি সেখান থেকে চীনেও যাবেন বলে জানা গেছে। এই সফরকে ঘিরে কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক নানা দিক নিয়ে আলোচনা চলছে।
বিশ্লেষকদের মতে, প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথম বিদেশ সফরে ভারত বা চীনের মতো বড় শক্তির পরিবর্তে মালয়েশিয়াকে বেছে নেওয়া বাংলাদেশের কূটনৈতিক ভারসাম্যের একটি ইঙ্গিত। বিশেষ করে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক জোরদারের দিকেই এটি একটি কৌশলগত পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
বর্তমানে মালয়েশিয়ায় ৮ লাখের বেশি বাংলাদেশি শ্রমিক বৈধভাবে কাজ করছেন, যা দেশটির মোট বিদেশি শ্রমশক্তির বড় একটি অংশ। তবে গত দুই বছর ধরে নতুন শ্রমিক নিয়োগ বন্ধ থাকায় এই সফরে শ্রমবাজার পুনরায় চালুর বিষয়ে অগ্রগতি হতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।
বিশ্লেষকদের মতে, বৈধ শ্রমবাজার পুনরায় চালু হলে এবং অনিবন্ধিত কর্মীদের বৈধকরণের সুযোগ তৈরি হলে বাংলাদেশের রেমিট্যান্স প্রবাহে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।
এছাড়া মালয়েশিয়া আসিয়ান ও ওআইসি–এর গুরুত্বপূর্ণ সদস্য হওয়ায় এই সফর বাংলাদেশকে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া ও মুসলিম বিশ্বের সঙ্গে সম্পর্ক আরও গভীর করার সুযোগ দেবে। পাশাপাশি ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে মেরিটাইম সহযোগিতা এবং বাণিজ্য সম্প্রসারণ নিয়েও আলোচনা হতে পারে।
বর্তমানে বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার মধ্যে বাণিজ্য ঘাটতি ২ বিলিয়ন ডলারের বেশি। তাই এই সফরে সম্ভাব্য সমঝোতা স্মারক ও নোট অব এক্সচেঞ্জ স্বাক্ষরের মাধ্যমে বাণিজ্য ভারসাম্য উন্নয়নের সুযোগ তৈরি হতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।