• হোম > দেশজুড়ে | স্বাস্থ্য > আগামী ৬ মাসের মধ্যে চালু হচ্ছে ৫টি বিশেষায়িত শিশু হাসপাতাল

আগামী ৬ মাসের মধ্যে চালু হচ্ছে ৫টি বিশেষায়িত শিশু হাসপাতাল

  • শনিবার, ২০ জুন ২০২৬, ০৭:৩৫
  • ৮০

আগামী ৬ মাসের মধ্যে চালু হচ্ছে ৫টি বিশেষায়িত শিশু হাসপাতাল

আগামী ছয় মাসের মধ্যে খুলনা, বরিশাল, রংপুর ও রাজশাহী বিভাগে এবং কুমিল্লা জেলায় একটি করে ২০০ শয্যাবিশিষ্ট বিশেষায়িত শিশু হাসপাতাল চালু করতে যাচ্ছে সরকার। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, প্রতিটি হাসপাতালে আধুনিক আইসিইউ সুবিধা, কেন্দ্রীয় শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা এবং ভবিষ্যতে সম্প্রসারণের সুযোগ রাখা হবে। হাসপাতালগুলোর আসবাবপত্র ও চিকিৎসা সরঞ্জাম কেনার টেন্ডার প্রক্রিয়া ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে এবং আগামী ছয় মাসের মধ্যেই এসব হাসপাতালের কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হবে।

হাসপাতালগুলো পূর্ণাঙ্গভাবে পরিচালনার জন্য প্রতিটিতে প্রায় ১ হাজার ৪৭৫ জন জনবল প্রয়োজন হবে। এ লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগ নিশ্চিত করতে প্রধানমন্ত্রী Tarique Rahman জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়কে নির্দেশনা দিয়েছেন। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী Sardar Md. Shakhawat Hossain ইতোমধ্যে খুলনা, বরিশাল ও কুমিল্লার হাসপাতাল ভবন পরিদর্শন করেছেন। বরিশাল সফরে তিনি জানান, নিউনেটাল ভেন্টিলেটর, সিটি স্ক্যান, এক্স-রে মেশিন, পোর্টেবল এক্স-রে, মাল্টি-প্যারামিটার মনিটর ও ফটোথেরাপি মেশিনসহ প্রয়োজনীয় সব যন্ত্রপাতি জুলাইয়ের মধ্যে পৌঁছে যাবে এবং আগামী ১ আগস্ট হাসপাতালটি উদ্বোধনের পরিকল্পনা রয়েছে।

গত ১০ মে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে এক জরুরি বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী দেশের বিভিন্ন বিভাগে নির্মিত হলেও দীর্ঘদিন অব্যবহৃত থাকা শিশু হাসপাতালগুলো দ্রুত চালুর নির্দেশ দেন। সেই নির্দেশনার পর স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় হাসপাতালগুলো চালুর প্রস্তুতি জোরদার করে। স্বাস্থ্য মন্ত্রী জানিয়েছেন, শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত এসব হাসপাতালে আধুনিক নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র (আইসিইউ) থাকবে এবং ভবিষ্যতে সেবার পরিধি বাড়ানোর জন্য অতিরিক্ত অবকাঠামোগত সুযোগও রাখা হয়েছে।

রংপুর, কুমিল্লা ও রাজশাহীতেও হাসপাতালগুলো দ্রুত চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। দীর্ঘ ছয় বছর অব্যবহৃত থাকার পর রংপুর শিশু হাসপাতাল চালুর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। কুমিল্লা শিশু হাসপাতালের জন্য প্রয়োজনীয় জনবল ও যন্ত্রপাতির চাহিদাপত্র ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে জমা দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে রাজশাহী শিশু হাসপাতাল আগামী তিন মাসের মধ্যে চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে। প্রথম ধাপে সেখানে বহির্বিভাগ (আউটডোর) সেবা চালু হবে এবং পরবর্তী সময়ে পর্যায়ক্রমে অন্যান্য চিকিৎসা সেবা যুক্ত করা হবে।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের মতে, এসব হাসপাতাল চালু হলে বিভাগীয় পর্যায়ে শিশুদের জন্য বিশেষায়িত চিকিৎসা সেবা সহজলভ্য হবে, রাজধানীমুখী চিকিৎসা নির্ভরতা কমবে এবং নবজাতক ও শিশুদের জটিল রোগের চিকিৎসা স্থানীয় পর্যায়েই নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। এর মাধ্যমে দেশের শিশুস্বাস্থ্য সেবায় একটি গুরুত্বপূর্ণ ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।


This page has been printed from Entrepreneur Bangladesh - https://www.entrepreneurbd.com/11932 ,   Print Date & Time: Friday, 9 October 2026, 10:09:57 AM
Developed by: Dotsilicon [www.dotsilicon.com]
© 2026 Entrepreneur Bangladesh