• হোম > খেলা | ফুটবল > মেসিকে জড়িয়ে ধরে কাঁদলেন স্কালোনি, আবেগে ভাসলো আর্জেন্টিনা শিবির

মেসিকে জড়িয়ে ধরে কাঁদলেন স্কালোনি, আবেগে ভাসলো আর্জেন্টিনা শিবির

  • বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ২৩:৩২
  • ৬০

 ---

ই-বাংলাদেশ ডেস্ক

বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে লিওনেল মেসি যেন শুধুই একজন ফুটবলার নন, তিনি একটি অনুভূতির নাম। আর সেই অনুভূতির প্রতিফলন দেখা গেল ২০২৬ বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচেই। আলজেরিয়ার বিপক্ষে আর্জেন্টিনার দুর্দান্ত জয়ের রাতে শুধু মাঠে নয়, আবেগের গল্পও লিখেছে আকাশি-সাদা শিবির।

কানসাস সিটিতে অনুষ্ঠিত ম্যাচে মেসির হ্যাটট্রিকে আলজেরিয়াকে ৩-০ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। তবে ম্যাচ শেষে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল শুধু জয় কিংবা রেকর্ড নয়, বরং লিওনেল স্কালোনি ও লিওনেল মেসির আবেগঘন মুহূর্ত।

ম্যাচের ৮০তম মিনিটে কোচ স্কালোনি মেসিকে তুলে মাঠে নামান তরুণ মিডফিল্ডার নিকো পাজকে। মাঠ ছাড়ার পর ডাগআউটে ফিরতেই মেসিকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরেন আর্জেন্টিনা কোচ। সেই মুহূর্তে স্কালোনির চোখে জল ধরা পড়ে ক্যামেরায়, যা দ্রুত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।

ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে সেই মুহূর্তের ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে আবেগাপ্লুত কণ্ঠে স্কালোনি বলেন, “আমি তখন সত্যিই বাকরুদ্ধ হয়ে গিয়েছিলাম। তাকে জড়িয়ে ধরেছি, চুমু খেয়েছি এবং বলেছি—আমি তোমাকে অনেক ভালোবাসি। এর বাইরে আর কী বলব, জানি না।”

বিশ্বকাপ, মেসি, আর্জেন্টিনা এবং ফুটবল ইতিহাস—সবকিছুর সঙ্গে জড়িয়ে আছে এক দীর্ঘ আবেগের যাত্রা। প্রায় ৩৯ বছর বয়সী মেসিকে ঘিরে অনেকেই ভেবেছিলেন, ২০২২ বিশ্বকাপ জয়ের পর হয়তো আর বিশ্বমঞ্চে দেখা যাবে না তাকে। কিন্তু সব জল্পনার অবসান ঘটিয়ে আবারও বিশ্বকাপের মঞ্চে ফিরেছেন তিনি এবং প্রথম ম্যাচেই হ্যাটট্রিক করে প্রমাণ করেছেন, তার জাদু এখনও অমলিন।

মেসির ভবিষ্যৎ নিয়ে কথা বলতে গিয়ে স্কালোনির কণ্ঠে ধরা পড়ে এক ধরনের শূন্যতার আশঙ্কা। তিনি বলেন, “যেদিন সে চলে যাবে, আমরা তাকে ভীষণ মিস করব। তাই যতদিন সে আমাদের সঙ্গে আছে, তার খেলা উপভোগ করা উচিত। এটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।”

শুধু স্কালোনিই নন, ম্যাচে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েছিলেন মেসিও। নিজের প্রথম গোল করার পর তার চোখে জল দেখা যায়। বিষয়টি নিয়ে ম্যাচ শেষে কথা বলতে গিয়ে আর্জেন্টাইন অধিনায়ক জানান, এটি ফুটবলীয় কোনো আবেগ ছিল না।

মেসি বলেন, “সত্যি বলতে, এর সঙ্গে ফুটবলের কোনো সম্পর্ক নেই। ব্যক্তিগত কিছু কারণে গত কয়েকটা দিন আমার জন্য কঠিন ছিল। দলের সবাই সব সময় আমার পাশে ছিল। এই পরিস্থিতি কাটিয়ে উঠতে তারা আমাকে অনেক শক্তি দিয়েছে। আমি তাদের প্রতি কৃতজ্ঞ।”

ফুটবল বিশ্বে লিওনেল মেসির নাম এখন শুধু রেকর্ড, গোল কিংবা ট্রফির মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। তিনি হয়ে উঠেছেন প্রজন্মের পর প্রজন্মের আবেগ, অনুপ্রেরণা এবং ভালোবাসার প্রতীক। আলজেরিয়ার বিপক্ষে হ্যাটট্রিকের রাত তাই শুধুই একটি জয়ের গল্প নয়, এটি ছিল ভালোবাসা, কৃতজ্ঞতা এবং এক কিংবদন্তিকে ঘিরে ফুটবল বিশ্বের গভীর আবেগেরও গল্প।

ই-বাংলাদেশ ডেস্ক

বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে লিওনেল মেসি যেন শুধুই একজন ফুটবলার নন, তিনি একটি অনুভূতির নাম। আর সেই অনুভূতির প্রতিফলন দেখা গেল ২০২৬ বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচেই। আলজেরিয়ার বিপক্ষে আর্জেন্টিনার দুর্দান্ত জয়ের রাতে শুধু মাঠে নয়, আবেগের গল্পও লিখেছে আকাশি-সাদা শিবির।

কানসাস সিটিতে অনুষ্ঠিত ম্যাচে মেসির হ্যাটট্রিকে আলজেরিয়াকে ৩-০ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। তবে ম্যাচ শেষে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল শুধু জয় কিংবা রেকর্ড নয়, বরং লিওনেল স্কালোনি ও লিওনেল মেসির আবেগঘন মুহূর্ত।

ম্যাচের ৮০তম মিনিটে কোচ স্কালোনি মেসিকে তুলে মাঠে নামান তরুণ মিডফিল্ডার নিকো পাজকে। মাঠ ছাড়ার পর ডাগআউটে ফিরতেই মেসিকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরেন আর্জেন্টিনা কোচ। সেই মুহূর্তে স্কালোনির চোখে জল ধরা পড়ে ক্যামেরায়, যা দ্রুত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।

ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে সেই মুহূর্তের ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে আবেগাপ্লুত কণ্ঠে স্কালোনি বলেন, “আমি তখন সত্যিই বাকরুদ্ধ হয়ে গিয়েছিলাম। তাকে জড়িয়ে ধরেছি, চুমু খেয়েছি এবং বলেছি—আমি তোমাকে অনেক ভালোবাসি। এর বাইরে আর কী বলব, জানি না।”

বিশ্বকাপ, মেসি, আর্জেন্টিনা এবং ফুটবল ইতিহাস—সবকিছুর সঙ্গে জড়িয়ে আছে এক দীর্ঘ আবেগের যাত্রা। প্রায় ৩৯ বছর বয়সী মেসিকে ঘিরে অনেকেই ভেবেছিলেন, ২০২২ বিশ্বকাপ জয়ের পর হয়তো আর বিশ্বমঞ্চে দেখা যাবে না তাকে। কিন্তু সব জল্পনার অবসান ঘটিয়ে আবারও বিশ্বকাপের মঞ্চে ফিরেছেন তিনি এবং প্রথম ম্যাচেই হ্যাটট্রিক করে প্রমাণ করেছেন, তার জাদু এখনও অমলিন।

মেসির ভবিষ্যৎ নিয়ে কথা বলতে গিয়ে স্কালোনির কণ্ঠে ধরা পড়ে এক ধরনের শূন্যতার আশঙ্কা। তিনি বলেন, “যেদিন সে চলে যাবে, আমরা তাকে ভীষণ মিস করব। তাই যতদিন সে আমাদের সঙ্গে আছে, তার খেলা উপভোগ করা উচিত। এটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।”

শুধু স্কালোনিই নন, ম্যাচে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েছিলেন মেসিও। নিজের প্রথম গোল করার পর তার চোখে জল দেখা যায়। বিষয়টি নিয়ে ম্যাচ শেষে কথা বলতে গিয়ে আর্জেন্টাইন অধিনায়ক জানান, এটি ফুটবলীয় কোনো আবেগ ছিল না।

মেসি বলেন, “সত্যি বলতে, এর সঙ্গে ফুটবলের কোনো সম্পর্ক নেই। ব্যক্তিগত কিছু কারণে গত কয়েকটা দিন আমার জন্য কঠিন ছিল। দলের সবাই সব সময় আমার পাশে ছিল। এই পরিস্থিতি কাটিয়ে উঠতে তারা আমাকে অনেক শক্তি দিয়েছে। আমি তাদের প্রতি কৃতজ্ঞ।”

ফুটবল বিশ্বে লিওনেল মেসির নাম এখন শুধু রেকর্ড, গোল কিংবা ট্রফির মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। তিনি হয়ে উঠেছেন প্রজন্মের পর প্রজন্মের আবেগ, অনুপ্রেরণা এবং ভালোবাসার প্রতীক। আলজেরিয়ার বিপক্ষে হ্যাটট্রিকের রাত তাই শুধুই একটি জয়ের গল্প নয়, এটি ছিল ভালোবাসা, কৃতজ্ঞতা এবং এক কিংবদন্তিকে ঘিরে ফুটবল বিশ্বের গভীর আবেগেরও গল্প।


This page has been printed from Entrepreneur Bangladesh - https://www.entrepreneurbd.com/11837 ,   Print Date & Time: Thursday, 8 October 2026, 09:36:31 PM
Developed by: Dotsilicon [www.dotsilicon.com]
© 2026 Entrepreneur Bangladesh