• হোম > > সকল বাধা পেরিয়ে কাউন্দিয়া সেতু বাস্তবের মুখ দেখছে

সকল বাধা পেরিয়ে কাউন্দিয়া সেতু বাস্তবের মুখ দেখছে

  • বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ২১:৫১
  • ১৯৮

 ---

ই-বাংলাদেশ ডেস্ক

ঢাকার সাভার উপজেলার বহুল প্রতীক্ষিত কাউন্দিয়া ব্রিজ প্রকল্পকে ঘিরে নতুন করে আশাবাদী হয়ে উঠেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। দীর্ঘদিনের যোগাযোগ সংকট, খেয়াঘাটের দুর্ভোগ এবং উন্নয়ন বঞ্চনার অবসান ঘটিয়ে রাজধানীর মিরপুরের সঙ্গে সরাসরি সংযোগ স্থাপনের স্বপ্ন নিয়ে এগিয়ে চলছে তুরাগ নদীর ওপর প্রস্তাবিত কাউন্দিয়া ব্রিজ প্রকল্প।

সাভারের কাউন্দিয়া ইউনিয়ন থেকে রাজধানী ঢাকার মিরপুর—দূরত্ব মাত্র কয়েকশ গজের। কিন্তু মাঝখানে বহমান তুরাগ নদীর কারণে বছরের পর বছর ধরে খেয়াঘাটের চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন লাখো মানুষ। তবে বহু বছরের এই বঞ্চনার অবসান ঘটাতে এবার এক অভূতপূর্ব গতি পেয়েছে সাভারের বহুল আলোচিত ‘কাউন্দিয়া ব্রিজ’ প্রকল্প। তুরাগ নদীর এপার-ওপার—দুই পারের মানুষের দীর্ঘদিনের এই কষ্ট লাঘবে প্রধানমন্ত্রী  তারেক রহমান সরাসরি এই ব্রিজটি দ্রুত সম্পন্ন করার সুনির্দিষ্ট নির্দেশনার পর মাঠপর্যায়ে শুরু হয় জোরদার কারিগরি ও প্রশাসনিক তৎপরতা। শীর্ষ পর্যায়ের এই আগ্রহের পর প্রকল্প সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রশাসনিক কার্যক্রমেও নতুন গতি এসেছে বলে স্থানীয়রা মনে করছেন।

প্রকল্প সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, ব্রিজটির বাস্তবায়নের পথে সবচেয়ে বড় আইনি ও প্রশাসনিক প্রতিবন্ধকতা ছিল রাজউকের অনাপত্তিপত্র (এনওসি)। ডিটেইল এরিয়া প্ল্যান (ড্যাপ)-এ এই অঞ্চলের সড়ক অবকাঠামো পূর্বে স্পষ্টভাবে অন্তর্ভুক্ত না থাকায় দীর্ঘদিন ধরে এই প্রশাসনিক জটিলতা তৈরি হয়েছিল। তবে এই জটিল জট পাস করিয়ে আনার পেছনে রাজউকের প্রধান পরিকল্পনাবিদ আশরাফুল ইসলামের আন্তরিকতা ও অবদান ছিল অনস্বীকার্য। তিনি প্রকল্পের প্রয়োজনীয়তা, কারিগরি যৌক্তিকতা, পরিবেশগত বিষয় ও ভবিষ্যৎ যোগাযোগ সম্ভাবনা সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য রাজউক বোর্ডের সামনে উপস্থাপন করেন।

সম্প্রতি প্রকল্প এলাকার নির্মাণকাজ ও সার্বিক অগ্রগতি পরিদর্শন করেছেন জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন সংসদ সদস্য সানজিদা ইসলাম তুলি, সংসদ সদস্য ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টি, সাভার থানা বিএনপির সভাপতি সাইফ উদ্দিন সাইফুল এবং বিশিষ্ট সমাজসেবক হাজী আব্দুল হাই দেওয়ান। এছাড়াও কাউন্দিয়া ইউনিয়ন বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী, রাজউক (RAJUK) এবং এলজিইডি (LGED)-এর কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

পরিদর্শনকালে বক্তারা জানান, দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় জনগণের প্রত্যাশার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা কাউন্দিয়া ব্রিজ বাস্তবায়নের পথে অন্যতম প্রধান চ্যালেঞ্জ ছিল রাজউকের ‘নো অবজেকশন সার্টিফিকেট (এনওসি)’। সংশ্লিষ্টদের মতে, ডিটেইল এরিয়া প্ল্যান (ড্যাপ)-এ এ অঞ্চলের সড়ক অবকাঠামোর বিষয়টি উল্লেখ না থাকায় কিছু প্রশাসনিক জটিলতা তৈরি হয়েছিল।

রাজউকের ঐতিহাসিক অনাপত্তি ও প্রশাসনিক অগ্রগতি

তবে বর্তমানে এই প্রশাসনিক জটিলতার স্থায়ী অবসান ঘটেছে। রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) চূড়ান্তভাবে এই প্রকল্পের অনাপত্তি পত্র (NOC) প্রদান করেছে। গত ১৪/০১/২৫ খ্রি. তারিখে এলজিইডি-এর প্রেরিত স্মারক নং- ৪৬.০২.২৬০০.০০০.১৪.৪১০.২৪-১৯১ এর সূত্রের প্রেক্ষিতে, রাজউকের নগর পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন শাখা থেকে স্মারক নং- ২৫.৩৯.০০০০.০৩০.৩৬.০০৪.২০২৫/৬০৪ মূলে এই অনাপত্তি সংক্রান্ত অফিশিয়াল পত্রটি জারি করা হয়।

রাজউকের নগর পরিকল্পনাবিদ (চঃদাঃ) মোহাম্মদ নূর-ই-খোদা স্বাক্ষরিত এই অনাপত্তিপত্রটি স্থানীয় মানুষের দীর্ঘদিনের লালিত স্বপ্ন পূরণের পথকে সম্পূর্ণ উন্মুক্ত করে দিয়েছে। পাশাপাশি এই অনুমোদন প্রক্রিয়াকে সফল পরিণতির দিকে নিয়ে যেতে রাজউকের প্রধান পরিকল্পনাবিদ আশরাফুলের ভূমিকা ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে সংশ্লিষ্ট মহল মনে করছে।

রাজউকের এই ঐতিহাসিক ছাড়পত্রে কাউন্দিয়াবাসীর জন্য আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ সুখবর রয়েছে। অনাপত্তিপত্রে বিশেষ শর্ত হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, মূল সেতুর সঙ্গে সরাসরি কাউন্দিয়া গ্রামের অভ্যন্তরে একটি পূর্ণাঙ্গ ‘অ্যাপ্রোচ রোড’ বা সংযোগ সড়ক নির্মাণ করতে হবে। ফলে ভবিষ্যতে স্থানীয় জনগণ শুধু সেতুর সুবিধাই পাবেন না, বরং সরাসরি আধুনিক সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থার সঙ্গেও যুক্ত হতে পারবেন। এই শর্তকে স্থানীয়রা বড় ধরনের উন্নয়ন অগ্রগতি হিসেবে দেখছেন।

পরিদর্শনকালে জানানো হয়, স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের উদ্যোগে রাজউকের উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তারা সরেজমিনে এলাকা পরিদর্শন করেছেন এবং প্রকল্পের প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে অবহিত হয়েছেন। সংশ্লিষ্টরা আশাবাদ ব্যক্ত করেন, প্রশাসনিক আনুষ্ঠানিকতা শেষ হলে নির্মাণকাজ আর বাধাগ্রস্ত হবে না।

কারিগরি নকশা ও প্রকৌশল পরিকল্পনা

প্রকল্প-সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো এবং স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (LGED)-এর ‘ব্রিজ লেআউট প্ল্যান’ (Bridge Layout Plan) থেকে প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, সেতুটি অত্যন্ত আধুনিক ও সুপরিকল্পিত প্রকৌশল কাঠামোতে নির্মিত হচ্ছে।

প্রকল্পের নাম ও দৈর্ঘ্য: এলজিইডি-র অধীনে চলমান “পল্লী সড়কে গুরুত্বপূর্ণ সেতু নির্মাণে (১ম সংশোধিত)” প্রকল্পের আওতায় এই মেগা প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হচ্ছে। তুরাগ নদীর ওপর প্রস্তাবিত এই কাউন্দিয়া সেতুর মোট দৈর্ঘ্য হবে ৪০৭.৫০ মিটার এবং এর অফিশিয়াল আইডি নং- ৩২৬৭৩০২১। উল্লেখ্য, সংশোধিত নকশায় এর রিভাইজড দৈর্ঘ্য প্রায় ৭৮২.৪০ মিটার পর্যন্ত বিস্তৃত করা হয়েছে।

প্রযুক্তি ও সংযোগ সড়ক: কাউন্দিয়া ব্রিজটি আধুনিক ‘কংক্রিট/স্টিল আর্চ’ (Arch Bridge) প্রযুক্তিতে নির্মিত হবে। নকশা অনুযায়ী, সেতুর কাউন্দিয়া অংশে একটি ৩০ ফুট চওড়া সংযোগ সড়ক তৈরি করা হবে এবং এই সংযোগ পয়েন্টে একটি ৩% লিনিয়ার স্লোপ রাখা হয়েছে, যা যানবাহন চলাচলকে মসৃণ করবে।

এছাড়া সেতুর গাবতলী ও আশুলিয়া অভিমুখী সংযোগের জন্য যথাক্রমে R80.00 রেডিয়াসের কার্ভ সম্বলিত অ্যাপ্রোচ রোডের পরিকল্পনাও নকশায় স্পষ্ট করা হয়েছে।

পরিবেশ ও নদী সুরক্ষা: রাজউকের শর্তানুযায়ী, তুরাগ নদীর স্বাভাবিক পানি প্রবাহ যেন কোনোভাবেই বাধাগ্রস্ত না হয়, সেজন্য সেতুটিকে উলম্বভাবে স্থাপন করা হবে এবং নদীর কোনো তীর সংকুচিত করা যাবে না। নদী বা খালের স্বাভাবিক গতি বজায় রাখতে এখানে কোনো বক্স কালভার্ট নির্মাণ করা হবে না।

এটি শুধু একটি সেতু নয়; বরং রাজধানী ঢাকার বিকল্প যোগাযোগ ব্যবস্থার অংশ হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। একই সঙ্গে ব্রিজটি ভবিষ্যতে এলাকাটিকে একটি সম্ভাবনাময় বিনোদন ও পর্যটন কেন্দ্র হিসেবেও পরিচিত করে তুলতে পারে।

খেয়াঘাটের দীর্ঘ অপেক্ষা, মানুষের প্রতিদিনের দুর্ভোগ

বর্তমানে মিরপুর ও কাউন্দিয়ার মধ্যে যাতায়াতের অন্যতম মাধ্যম খেয়ানৌকা। প্রতিদিন কর্মজীবী মানুষ, শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী, চাকরিজীবী, রোগী এবং সাধারণ যাত্রীদের নদী পারাপারের জন্য ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হয়।

স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, সারাদিনের কর্মব্যস্ততা শেষে বাড়ি ফেরার সময় অনেককে গভীর রাত পর্যন্ত খেয়াঘাটে নৌকার জন্য অপেক্ষা করতে হয়। জরুরি চিকিৎসার প্রয়োজন হলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে ওঠে। অনেক সময় রোগী পরিবহন, শিক্ষার্থীদের যাতায়াত কিংবা ব্যবসায়িক পণ্য পরিবহনে চরম দুর্ভোগের মুখোমুখি হতে হয়।

একজন স্থানীয় বাসিন্দার ভাষায়,

“দিনশেষে সবাই যখন ঘরে ফিরে একটু শান্তির নিঃশ্বাস ফেলে, তখন কাউন্দিয়াবাসীর কপালে জোটে মাঝরাতের অন্তহীন অপেক্ষা। খেয়াঘাটে ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থাকতে হয় শুধু নদী পার হওয়ার জন্য।”

দীর্ঘদিনের স্বপ্ন বাস্তবায়নের পথে

১১ জুন অনুষ্ঠিত এক পরিদর্শন ও মতবিনিময় অনুষ্ঠানে সংসদ সদস্য সানজিদা ইসলাম তুলি এবং সংসদ সদস্য ফেরদৌস আহমেদ মিষ্টি সক্রিয়ভাবে প্রকল্প বাস্তবায়নের অগ্রগতি তদারকি ও জনগণের সঙ্গে মতবিনিময়ে অংশ নেন। স্থানীয়দের মতে, সানজিদা ইসলাম তুলি দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন সরকারি সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে প্রকল্পটি এগিয়ে নিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। অন্যদিকে ফেরদৌস আহমেদ মিষ্টি জনগণের কাছে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের বিষয়ে দৃঢ় অবস্থান ব্যক্ত করেছেন।

তারা বলেন,

“ইনশাল্লাহ ব্রিজ হবে। এইটা আমি আশাবাদী এবং ব্রিজ হইতেই হবে। জনগণের কাছে যে কমিটমেন্ট দেওয়া হয়েছে, তা বাস্তবায়ন করেই আমরা এই ব্রিজ উদ্বোধন করবো ইনশাল্লাহ।”

প্রকৌশলী ও নীরব অবদানকারীদের ভূমিকা

এই পুরো প্রক্রিয়ায় এলজিইডির প্রাক্তন নির্বাহী প্রকৌশলী ফিরোজ আলম তালুকদারের অবদানের কথাও স্থানীয়রা কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করেন। প্রকল্পের শুরু থেকে দুই পাড়ের সংযোগ স্থাপন, কারিগরি পরিকল্পনা প্রণয়ন এবং বিভিন্ন প্রশাসনিক ও কারিগরি জটিলতা নিরসনে তিনি নিরলসভাবে কাজ করেছেন।

এছাড়াও নদীর এপার-ওপারের কিছু প্রচারবিমুখ মানুষের নীরব অথচ অক্লান্ত অবদান কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করতে হয়; তাঁদের নিরলস প্রচেষ্টা, আন্তরিক সহযোগিতা এবং দীর্ঘদিনের তদবির ছাড়া এ পথচলা এতদূর এগিয়ে নেওয়া সম্ভব হতো না। আলোচনার আড়ালে থাকা এসব মানুষের অবদান কাউন্দিয়া সেতুর ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে বলে স্থানীয়রা মনে করেন।

বদলে যাবে যোগাযোগ, অর্থনীতি ও জীবনযাত্রা

বিশেষজ্ঞদের মতে, একটি সেতু কেবল দুই তীরকে সংযুক্ত করে না; এটি একটি অঞ্চলের অর্থনীতি, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, বিনিয়োগ এবং সামাজিক উন্নয়নের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করে।

রাজউকের ড্যাপ (২০২২-২০৩৫) এর মহাপরিকল্পনা অনুযায়ী, ঢাকা জেলার সাভার উপজেলাধীন উত্তর কাউন্দিয়া এবং মিরপুর থানার নবাবেরবাগ মৌজার এই সেতু এলাকাটি মূলত ‘Waterbody’, ‘Agricultural Zone’ এবং ‘Overlay’ হিসেবে চিহ্নিত। এই কারণে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

কাউন্দিয়া ব্রিজ সম্পূর্ণ বাস্তবায়িত হলে মিরপুর ও সাভারের মধ্যে সরাসরি এক বৈপ্লবিক যোগাযোগ স্থাপিত হবে। এতে যাতায়াতের সময় উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে, পরিবহন ব্যয় হ্রাস পাবে এবং ব্যবসা-বাণিজ্য, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা ও কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে।

মানুষের একটাই প্রত্যাশা

দীর্ঘদিন ধরে প্রতিশ্রুতি, পরিকল্পনা ও অপেক্ষার পর কাউন্দিয়া ব্রিজ আবারও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছে। রাজউক, এলজিইডি, বিআইডব্লিউটিএ, পরিবেশ অধিদপ্তর এবং সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের পারস্পরিক সমন্বয় ও অনাপত্তির মাধ্যমে এখন মাঠপর্যায়ের কাজ বেগবান হওয়ার মোক্ষম সময়।

স্থানীয় মানুষের প্রত্যাশা—সব ধরনের প্রশাসনিক অনুমোদন ও পরিকল্পনা সম্পন্ন হওয়ার পর এবার যেন আর কোনো জটিলতায় প্রকল্পটি থেমে না যায়। কারণ কাউন্দিয়া ব্রিজ তাদের কাছে কোনো বাড়তি সুবিধা নয়; এটি নিরাপদ, দ্রুত এবং মর্যাদাপূর্ণ যোগাযোগের মৌলিক অধিকার।

তাদের ভাষায়,

“আমরা কোনো বিশেষ সুবিধা চাই না; আমরা চাই নিরাপদ, দ্রুত এবং মর্যাদাপূর্ণ যোগাযোগের অধিকার। কাউন্দিয়া ব্রিজ সেই অধিকার বাস্তবায়নেরই আরেক নাম।”


This page has been printed from Entrepreneur Bangladesh - https://www.entrepreneurbd.com/11833 ,   Print Date & Time: Thursday, 8 October 2026, 11:17:41 PM
Developed by: Dotsilicon [www.dotsilicon.com]
© 2026 Entrepreneur Bangladesh