• হোম > রাজনীতি > দিল্লি বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমানকে আটকে রাখার ঘটনায় বাংলাদেশের উদ্বেগ

দিল্লি বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমানকে আটকে রাখার ঘটনায় বাংলাদেশের উদ্বেগ

  • মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ০১:৩২
  • ৯৫

---

ই-বাংলাদেশ ডেস্ক

দিল্লি বিমানবন্দরে জাহেদ উর রহমানকে আটকে রাখার ঘটনা ‘অপ্রত্যাশিত’: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ

ভারতের রাজধানী দিল্লির আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার এবং সংস্কৃতিবিষয়ক উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমানকে কয়েক ঘণ্টা আটকে রেখে জিজ্ঞাসাবাদ করার ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ সরকার। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ এ ঘটনাকে ‘অপ্রত্যাশিত’ ও ‘দুঃখজনক’ উল্লেখ করে বলেছেন, বিষয়টি সরকার অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করছে।

সোমবার (১৫ জুন) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি জানান, গণমাধ্যমের মাধ্যমে ঘটনাটি সরকারের নজরে এসেছে এবং ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ শুরু হয়েছে। পুরো ঘটনার বিস্তারিত তথ্য যাচাই করে প্রয়োজনীয় কূটনৈতিক পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে বলেও তিনি জানান।

জানা গেছে, ইন্ডিয়ান ওশান রিম অ্যাসোসিয়েশন (আইওআরএ)-এর একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে অংশ নিতে রোববার দিল্লি যান জাহেদ উর রহমান। তবে বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পর তাকে প্রায় আড়াই ঘণ্টা ধরে ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষের জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হতে হয়। পরবর্তীতে তাকে ভারতে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হলেও তিনি সফর অব্যাহত না রেখে দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত নেন।

সূত্রমতে, দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করানো এবং অসৌজন্যমূলক আচরণের কারণে তিনি সফর বাতিল করেন। পরে শ্রীলঙ্কার কলম্বো হয়ে সোমবার ঢাকায় ফিরে আসেন। বিমানবন্দরে সাংবাদিকরা এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি কোনো মন্তব্য করেননি।

ঘটনাটি এমন সময়ে ঘটেছে, যখন বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সম্পর্ক আরও জোরদার করার লক্ষ্যে বিভিন্ন পর্যায়ে আলোচনা চলছিল। ফলে বিষয়টি দুই দেশের কূটনৈতিক মহলেও আলোচনার জন্ম দিয়েছে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বলছেন, একজন উচ্চপর্যায়ের সরকারি উপদেষ্টার সঙ্গে এমন আচরণ স্বাভাবিক কূটনৈতিক রীতিনীতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

এদিকে জানা গেছে, জাহেদ উর রহমান এ সফরে কূটনৈতিক পাসপোর্ট ব্যবহার করেননি। তিনি সাধারণ পাসপোর্টে সার্ক ভিসা নিয়ে ভারতে প্রবেশের চেষ্টা করেছিলেন। এছাড়া বাংলাদেশ হাই কমিশনের প্রটোকল সহায়তা যথাযথভাবে ছিল কি না, সে বিষয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, ঘটনাটির পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা জানতে ভারতের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে। পাশাপাশি ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি এড়াতে কূটনৈতিক পর্যায়ে প্রয়োজনীয় আলোচনা চালানো হবে।


This page has been printed from Entrepreneur Bangladesh - https://www.entrepreneurbd.com/11668 ,   Print Date & Time: Monday, 5 October 2026, 01:23:03 AM
Developed by: Dotsilicon [www.dotsilicon.com]
© 2026 Entrepreneur Bangladesh