• হোম > অর্থনীতি > সংশোধিত বাজেট ২০২৫-২৬ সংসদে: মোট ব্যয় কমে ৭ লাখ ৮৮ হাজার কোটি টাকা, ঘাটতি ২ লাখ কোটি

সংশোধিত বাজেট ২০২৫-২৬ সংসদে: মোট ব্যয় কমে ৭ লাখ ৮৮ হাজার কোটি টাকা, ঘাটতি ২ লাখ কোটি

  • সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬, ১৮:২৮
  • ১২৭

---

ই-বাংলাদেশ ডেস্ক

সংশোধিত বাজেট ২০২৫-২৬: ব্যয় কমিয়ে ৭ লাখ ৮৮ হাজার কোটি টাকা, অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে সরকারের নতুন কৌশল

জাতীয় সংসদে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত ও সম্পূরক বাজেট উপস্থাপন করেছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। প্রস্তাবিত সংশোধিত বাজেটে সরকারের মোট ব্যয় ২ হাজার কোটি টাকা কমিয়ে ৭ লাখ ৮৮ হাজার কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে বাজেট ঘাটতি ধরা হয়েছে ২ লাখ কোটি টাকা, যা দেশের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ৩.৩ শতাংশের সমান।

সোমবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশনের সপ্তম কার্যদিবসে অর্থমন্ত্রী এই বাজেট প্রস্তাব উত্থাপন করেন। বাজেট বক্তব্যে তিনি বলেন, মূল বাজেটে সরকারের নিট ব্যয় ধরা হয়েছিল ৭ লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকা। তবে নির্বাচন-পূর্ব সময়ের বিভিন্ন বাস্তবতা এবং বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) বাস্তবায়ন প্রত্যাশিত গতিতে না হওয়ায় ব্যয় কিছুটা কমানোর প্রয়োজন দেখা দেয়।

অর্থমন্ত্রী জানান, বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই অর্থনীতিকে পুনরুজ্জীবিত করা এবং বৈশ্বিক অর্থনৈতিক চাপ মোকাবিলা করা অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এজন্য সরকারি ব্যয়ে অপ্রয়োজনীয় অপচয় কমানো, অগ্রাধিকারহীন খাতে ব্যয় সংকোচন এবং প্রশাসনিক মিতব্যয়িতা নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সংশোধিত বাজেটে সামাজিক সুরক্ষা খাতেও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি সম্প্রসারণ, কৃষক কার্ডধারীদের জন্য বিভিন্ন সহায়তা বৃদ্ধি এবং ইমাম, মুয়াজ্জিন ও পুরোহিতদের সম্মানী প্রদানের মতো কর্মসূচি অব্যাহত রাখা হয়েছে। এছাড়া বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে ভর্তুকি সমন্বয়ের মাধ্যমে রাজস্ব ব্যয় নিয়ন্ত্রণে রাখার পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে ব্যয় কমানোর এই উদ্যোগ সরকারের জন্য গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হতে পারে। একই সঙ্গে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির বিস্তার নিম্ন ও মধ্যম আয়ের মানুষের জন্য ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। তবে উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের গতি বাড়ানো এবং বিনিয়োগ পরিবেশ উন্নত করাও সমানভাবে জরুরি বলে মনে করছেন অর্থনীতিবিদরা।

সংসদে বাজেট উপস্থাপনের পর বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের ব্যয় সংক্রান্ত মঞ্জুরি দাবির ওপর আলোচনা শুরু হয়। বিরোধী দলের সদস্যরা একাধিক ছাঁটাই প্রস্তাব উত্থাপন করলেও সরকার উন্নয়ন ও জনকল্যাণমূলক কর্মসূচির ধারাবাহিকতা বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেছে।


This page has been printed from Entrepreneur Bangladesh - https://www.entrepreneurbd.com/11648 ,   Print Date & Time: Sunday, 4 October 2026, 10:05:24 PM
Developed by: Dotsilicon [www.dotsilicon.com]
© 2026 Entrepreneur Bangladesh