• হোম > বিদেশ > ইরানের ড্রোন ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলার তীব্র নিন্দা জিসিসির, আঞ্চলিক নিরাপত্তা হুমকির মুখে

ইরানের ড্রোন ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলার তীব্র নিন্দা জিসিসির, আঞ্চলিক নিরাপত্তা হুমকির মুখে

  • বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬, ০৫:১৩
  • ৬০

---

ই-বাংলাদেশ ডেস্ক

ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় উত্তপ্ত মধ্যপ্রাচ্য, কড়া নিন্দা জানিয়ে তেহরানকে দায়ী করল জিসিসি

মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতি নতুন করে উদ্বেগের কারণ হয়ে উঠেছে। উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদ (জিসিসি) সদস্য দেশগুলো ইরানের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে। বাহরাইন, কুয়েত এবং জর্ডানের ওপর ইরানের ড্রোন ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে জিসিসি এক বিবৃতিতে তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। একইসঙ্গে এই হামলার সম্পূর্ণ দায়ভার ইরানের ওপর বর্তাবে বলেও স্পষ্ট ঘোষণা দিয়েছে সংস্থাটি।

জিসিসির মন্ত্রীপরিষদ এক যৌথ বিবৃতিতে জানায়, সাম্প্রতিক এই হামলাগুলো শুধু সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর সার্বভৌমত্বের ওপর আঘাত নয়, বরং পুরো উপসাগরীয় অঞ্চলের শান্তি, স্থিতিশীলতা এবং নিরাপত্তার জন্য একটি বড় হুমকি। সংস্থাটি বলেছে, ড্রোন ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে পরিচালিত হামলা আন্তর্জাতিক আইন ও জাতিসংঘ সনদের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।

বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে এই ধরনের হামলা আঞ্চলিক সংঘাতকে আরও জটিল করে তুলতে পারে। জিসিসি জানিয়েছে, ইরানের এসব পদক্ষেপের ফলে আন্তর্জাতিক নৌ চলাচল, বাণিজ্যিক পরিবহন এবং বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থাও ঝুঁকির মুখে পড়েছে। বিশেষ করে উপসাগরীয় অঞ্চলের তেল ও গ্যাস রপ্তানির ওপর নির্ভরশীল বিশ্ব অর্থনীতির জন্য এটি উদ্বেগজনক পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে পারে।

বিবৃতিতে জোর দিয়ে বলা হয়, জিসিসিভুক্ত দেশগুলোর নিরাপত্তা একে অপরের সঙ্গে অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত। সদস্য রাষ্ট্রগুলোর যেকোনো একটির বিরুদ্ধে হামলা মানে পুরো জোটের বিরুদ্ধে হামলা হিসেবে বিবেচিত হবে। ফলে সদস্য দেশগুলোর নিরাপত্তা রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

জিসিসি আরও বলেছে, আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের আরও সক্রিয় ভূমিকা প্রয়োজন। সংস্থাটি জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদসহ বৈশ্বিক শক্তিগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছে, যাতে তারা এ ঘটনায় দ্রুত প্রতিক্রিয়া জানায় এবং দায়ীদের জবাবদিহির আওতায় আনার উদ্যোগ গ্রহণ করে।

মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনীতিতে নতুন উত্তেজনা সৃষ্টি হওয়ায় আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক অঙ্গনেও বিষয়টি ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন, পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণে না আনতে পারলে আঞ্চলিক নিরাপত্তা সংকট আরও গভীর হতে পারে এবং এর প্রভাব বৈশ্বিক অর্থনীতি ও জ্বালানি বাজারেও পড়তে পারে।


This page has been printed from Entrepreneur Bangladesh - https://www.entrepreneurbd.com/11360 ,   Print Date & Time: Thursday, 8 October 2026, 05:27:37 AM
Developed by: Dotsilicon [www.dotsilicon.com]
© 2026 Entrepreneur Bangladesh