![]()
আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা দিবস উপলক্ষে ঢাকার সেনাকুঞ্জে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল Waker-uz-Zaman বলেছেন, বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশ এখন একটি স্বীকৃত ও গ্রহণযোগ্য নাম হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
তিনি বলেন, ১৯৮৮ সাল থেকে জাতিসংঘের আহ্বানে সাড়া দিয়ে বাংলাদেশ শান্তিরক্ষা মিশনে সক্রিয়ভাবে অংশ নিচ্ছে এবং ভবিষ্যতেও এ ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকবে। বর্তমানে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে জাতিসংঘের ৯টি মিশনে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, বিমানবাহিনী ও পুলিশের হাজার হাজার সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন।
সেনাপ্রধানের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, মোট ৪ হাজারের বেশি বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী বর্তমানে বিভিন্ন মিশনে নিয়োজিত আছেন। তাদের মধ্যে সেনা, নৌ, বিমানবাহিনী এবং পুলিশ সদস্যরা রয়েছেন, যারা আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষায় কাজ করছেন।
তিনি আরও জানান, নারী শান্তিরক্ষীদের অংশগ্রহণও উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। হাজারেরও বেশি নারী সদস্য অতীতে বিভিন্ন মিশনে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং বর্তমানে বহু নারী শান্তিরক্ষী সক্রিয়ভাবে আন্তর্জাতিক দায়িত্বে নিয়োজিত আছেন।
Waker-uz-Zaman বলেন, শান্তিরক্ষা মিশনের ধরন ও চ্যালেঞ্জ সময়ের সঙ্গে পরিবর্তিত হচ্ছে। এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীরা উন্নত প্রশিক্ষণ, পেশাদারিত্ব, নৈতিকতা ও প্রযুক্তিগত দক্ষতা নিয়ে প্রস্তুত রয়েছে।
তিনি জাতিসংঘের নতুন উদ্যোগ হিসেবে হাইতিতে গঠিত “গ্যাং সাপ্রেশন ফোর্স”-এ বাংলাদেশের অংশগ্রহণের বিষয়টিও উল্লেখ করেন এবং এটিকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের ভূমিকার আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ সম্প্রসারণ হিসেবে অভিহিত করেন।
সেনাপ্রধান আরও বলেন, সরকারের সহযোগিতা ও দূরদর্শী নেতৃত্বের কারণেই বাংলাদেশের শান্তিরক্ষীরা বিশ্বজুড়ে সফলভাবে দায়িত্ব পালন করতে পারছে। ভবিষ্যতেও এই অবদান আরও শক্তিশালী হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।