• হোম > বাংলাদেশ > দেশে দুর্নীতির চেয়েও সম্পদের অপচয় বেশি হচ্ছে: পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী

দেশে দুর্নীতির চেয়েও সম্পদের অপচয় বেশি হচ্ছে: পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী

  • শনিবার, ৬ জুন ২০২৬, ২২:৪৯
  • ৭৭

দেশে দুর্নীতির চেয়েও সম্পদের অপচয় বেশি হচ্ছে: পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী

দেশে দুর্নীতির চেয়েও সম্পদের অপচয় বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকি। তিনি বলেন, এই অপচয় রোধ করা না গেলে টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করা সম্ভব হবে না।

শনিবার রাজধানীর সিরডাপ আন্তর্জাতিক কনফারেন্স সেন্টারে আয়োজিত ‘সংকট মুহূর্তের বাজেট ২০২৬-২৭’ শীর্ষক গোলটেবিল আলোচনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, শুধু অবকাঠামো নির্মাণ করলেই উন্নয়ন নিশ্চিত হয় না। উদাহরণ হিসেবে তিনি বলেন, একটি হাসপাতাল নির্মাণ করা হলেও সেখানে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সরঞ্জাম, দক্ষ টেকনিশিয়ান কিংবা পর্যাপ্ত চিকিৎসক না থাকলে সেটি কার্যকর সেবা দিতে পারে না। এমন পরিস্থিতিকে তিনি সম্পদের অপচয় হিসেবে উল্লেখ করেন।

জোনায়েদ সাকি বলেন, দেশে দুর্নীতি অবশ্যই রয়েছে এবং তা মোকাবিলা করতে হবে। তবে বর্তমান বাস্তবতায় সম্পদের অপচয় কমানোকে অগ্রাধিকার দেওয়া প্রয়োজন। এ বিষয়ে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় কাজ করছে বলেও তিনি জানান।

বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) বাস্তবায়নের চ্যালেঞ্জ তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে দেশে ১ হাজার ৩৩৩টি উন্নয়ন প্রকল্প চলমান রয়েছে। চলতি এডিপিতে ১ হাজার ১৫০টি প্রকল্প অব্যাহত রাখা হয়েছে এবং নতুন করে আরও ১ হাজার ২৭০টি প্রকল্প যুক্ত হয়েছে। কিন্তু এত বিপুল সংখ্যক প্রকল্প থাকা সত্ত্বেও অনেক ক্ষেত্রেই প্রত্যাশিত ফল পাওয়া যাচ্ছে না।

তার মতে, প্রকল্পগুলোর অনেকই বাস্তব সমস্যার কার্যকর সমাধান দিতে পারছে না। যথাযথ মূল্যায়নের অভাব, অপরিকল্পিত বাস্তবায়ন এবং বিভিন্ন স্বার্থগোষ্ঠীর প্রভাবের কারণে প্রকল্পগুলোর কাঙ্ক্ষিত প্রভাব দুর্বল হয়ে পড়ছে।

তিনি আরও বলেন, বিনিয়োগনির্ভর ও কর্মসংস্থানমুখী অর্থনীতি গড়ে তুলতে শুধু নীতিগত ঘোষণা যথেষ্ট নয়। পরিকল্পনা, সমন্বয় এবং বাস্তবায়নের মান উন্নয়ন নিশ্চিত করতে হবে। বিশেষ করে বেসরকারি বিনিয়োগ কীভাবে বাড়ানো যায়, সেটিই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।

নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাত প্রসঙ্গে জোনায়েদ সাকি বলেন, সরকার ১০ হাজার মেগাওয়াট নবায়নযোগ্য জ্বালানি উৎপাদনের যে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে এবং দ্রুত বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছে, তা একটি ঐতিহাসিক নীতিগত পরিবর্তন। তার মতে, চলমান অর্থনৈতিক ও জ্বালানি সংকটকে সুযোগে পরিণত করার অন্যতম বড় উদাহরণ এটি।


This page has been printed from Entrepreneur Bangladesh - https://www.entrepreneurbd.com/11164 ,   Print Date & Time: Monday, 5 October 2026, 01:23:28 AM
Developed by: Dotsilicon [www.dotsilicon.com]
© 2026 Entrepreneur Bangladesh