![]()
আগামী জাতীয় বাজেটে ব্যবসায়ীদের জন্য বড় ধরনের স্বস্তির ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) নতুন কোনো কর আরোপের পরিবর্তে ব্যবসা-বাণিজ্যে বিদ্যমান জটিলতা কমানো এবং ট্রেড ফ্যাসিলিটেশন সহজ করার দিকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে বলে জানা গেছে। প্রস্তাবিত সংস্কারের মধ্যে রয়েছে ভ্যাট রিটার্ন দাখিল প্রক্রিয়া মাসিকের পরিবর্তে ত্রৈমাসিক করা, অনলাইন ভ্যাট নিবন্ধন সম্পূর্ণ স্বয়ংক্রিয় করা এবং ভ্যাট ও অডিট সংক্রান্ত কাগজপত্র জমা দেওয়ার বাধ্যবাধকতা শিথিল করা। পাশাপাশি কাস্টমস ক্লিয়ারেন্স প্রক্রিয়া দ্রুত করতে নমুনা পরীক্ষার ক্ষেত্র সম্প্রসারণের পরিকল্পনাও রয়েছে, যেখানে Bangladesh Standards and Testing Institution ও Bangladesh Atomic Energy Commission ছাড়াও Bangladesh Accreditation Board অনুমোদিত প্রতিষ্ঠানগুলোকে যুক্ত করা হতে পারে।
এছাড়া অথরাইজড ইকোনমিক অপারেটর (AEO) সনদ পাওয়ার শর্ত শিথিল করে বেশি সংখ্যক প্রতিষ্ঠানকে দ্রুত কাস্টমস সুবিধার আওতায় আনার পরিকল্পনাও বিবেচনায় রয়েছে। ব্যবসায়ীদের মতে, এসব পরিবর্তন বাস্তবায়িত হলে আমদানি-রপ্তানি প্রক্রিয়া আরও সহজ হবে এবং সময় ও খরচ দুটোই কমবে। বিশেষ করে কনসাইনমেন্ট দ্রুত ছাড় দেওয়ার দাবি দীর্ঘদিনের হলেও তা বাস্তবায়ন হলে ডেমারেজ খরচ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে বলে তারা মনে করছেন। এনবিআরের সাবেক ও বর্তমান কর্মকর্তারাও বলছেন, “ইজ অব ডুয়িং বিজনেস” নিশ্চিত করতে এই ধরনের সংস্কার অপরিহার্য এবং এটি কার্যকর হলে রাজস্ব আদায় ও অর্থনীতির গতি উভয়ই বাড়বে।