![]()
মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধি দপ্তর (ইউএসটিআর) পরিচালিত ‘সেকশন ৩০১’ তদন্তের ভিত্তিতে নতুন একটি শুল্ক প্রস্তাব সামনে এসেছে। ট্রাম্প প্রশাসন সম্প্রতি জরুরি শুল্ক কাঠামো পুনর্গঠনের অংশ হিসেবে এই উদ্যোগ নিয়েছে, বিশেষ করে ফেব্রুয়ারিতে মার্কিন সুপ্রিম কোর্টের কিছু শুল্ক বাতিলের পরিপ্রেক্ষিতে।
প্রস্তাব অনুযায়ী, বাংলাদেশসহ প্রায় ৬০টি দেশ ও অঞ্চলের পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ১০ বা ১২ দশমিক ৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের অভিযোগ, এসব দেশ জোরপূর্বক শ্রমজনিত পণ্যের বাণিজ্য রোধে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়নি, ফলে মার্কিন বাজারে ‘অযৌক্তিক বাধা’ তৈরি হচ্ছে।
ইউএসটিআর জানিয়েছে, তদন্তে অন্তর্ভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ ছাড়াও কানাডা, ইইউ, মেক্সিকো, পাকিস্তান, ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, যুক্তরাজ্যসহ আরও কয়েকটি দেশ রয়েছে। এর মধ্যে ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপের তালিকায় কিছু দেশ এবং ১২ দশমিক ৫ শতাংশ শুল্ক আরোপের তালিকায় বাকি দেশগুলো রাখা হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধি জেমিসন গ্রিয়ার বলেন, জোরপূর্বক শ্রম মোকাবেলায় বাণিজ্য অংশীদারদের ব্যর্থতা গ্রহণযোগ্য নয়, কারণ এটি মার্কিন শ্রমিকদের জন্য বৈশ্বিক পর্যায়ে অসম প্রতিযোগিতা তৈরি করছে।
তবে কিছু পণ্য এই শুল্কের বাইরে রাখা হয়েছে, যেমন জ্বালানি, নির্দিষ্ট খনিজ ও ধাতু, খাদ্যপণ্য, ওষুধ, জৈব রাসায়নিক এবং উড়োজাহাজের যন্ত্রাংশ।
প্রস্তাবটি এখনো চূড়ান্ত হয়নি এবং আগামী ২৪ জুলাই বিদ্যমান অস্থায়ী শুল্কের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই নতুন সিদ্ধান্ত আসতে পারে বলে জানা গেছে।