![]()
প্রবাসীদের জন্য সব ধরনের সেবা একীভূত করে একটি ‘প্রবাসী কার্ড’ চালুর পরিকল্পনা করছে সরকার। এ কার্ডের মাধ্যমে আর আলাদা কোনো বিএমইটি কার্ডের প্রয়োজন হবে না বলে জানিয়েছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
আজ মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী এ তথ্য জানান। এ সময় প্রবাসী কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক এবং সচিব মোখতার হোসেন উপস্থিত ছিলেন।
মন্ত্রী বলেন, প্রবাসী কার্ডের মাধ্যমে প্রবাসীরা যেন এককভাবে সব ধরনের সুবিধা পান, সেই লক্ষ্যেই কাজ চলছে। তবে এখনো এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।
তিনি আরও বলেন, কার্ডটির সঙ্গে কীভাবে কারেন্সি সুবিধা যুক্ত করা যায়, সহজ রেমিটেন্স আনা–নেওয়ার প্রক্রিয়াকে কীভাবে সহজ করা যায় এবং ব্যাংক পেমেন্ট গেটওয়ে কীভাবে পরিচালিত হবে—এসব বিষয় নিয়ে নীতিগত কাজ চলছে। পাশাপাশি প্রবাসীদের ডিজিটাল পরিচয়পত্র ও ট্র্যাকিং সিস্টেমও এ কার্ডের সঙ্গে যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে।
মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার সিন্ডিকেটমুক্ত শ্রমবাজার গড়তে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং এ ক্ষেত্রে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করা হচ্ছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, আগামী এক মাসের মধ্যে শ্রমবাজার সংক্রান্ত প্রস্তাবনা স্পষ্ট হবে এবং নতুন করে বাজার উন্মুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে।
তিনি আরও বলেন, “এটাই আমার চ্যালেঞ্জ। যদি আমি তা বাস্তবায়ন করতে না পারি, তাহলে দায়িত্ব ছেড়ে দেব।”
এ ছাড়া চলতি মাসে প্রধানমন্ত্রীর সম্ভাব্য মালয়েশিয়া সফরে শ্রমবাজার সংক্রান্ত কোনো সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) হবে কি না—এ বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক তথ্য নেই বলে জানান তিনি।
প্রবাসী কার্ডের মাধ্যমে ভূমি সেবা, হাসপাতালসহ বিভিন্ন সরকারি সেবায় অগ্রাধিকার দেওয়ার বিষয়েও সরকার কাজ করছে বলে মন্ত্রী উল্লেখ করেন। এতে প্রবাসীরা দেশে ফিরে আরও সহজ ও দ্রুত সেবা পেতে পারেন বলে আশা প্রকাশ করা হচ্ছে।