• হোম > আইন বিভাগ | বাংলাদেশ | বিচার বিভাগ > ‘আমার স্ত্রীর কোনো দোষ নেই’—আদালতে রামিসা হত্যা মামলার প্রধান আসামি সোহেল রানা

‘আমার স্ত্রীর কোনো দোষ নেই’—আদালতে রামিসা হত্যা মামলার প্রধান আসামি সোহেল রানা

  • সোমবার, ১ জুন ২০২৬, ১৫:১৫
  • ৮১

‘আমার স্ত্রীর কোনো দোষ নেই’—আদালতে রামিসা হত্যা মামলার প্রধান আসামি সোহেল রানা

রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় প্রধান আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হয়েছে। সোমবার ঢাকার মহানগর শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন এ আদেশ দেন এবং একই সঙ্গে আগামী ২ জুন সাক্ষ্যগ্রহণের তারিখ নির্ধারণ করেন।

আদালতে অভিযোগ পড়ে শোনানোর সময় সোহেল রানা তার স্ত্রীর নির্দোষ থাকার দাবি করেন। অন্যদিকে স্বপ্না আক্তার তাকে উদ্দেশ করে বলেন, তার কোনো দোষ ছিল কি না তা বলতে। তবে আদালত তাদের বক্তব্য আমলে না নিয়ে অভিযোগ গঠন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে। এরপর আসামিদের দোষী না নির্দোষ জানতে চাইলে তারা নিজেদের নির্দোষ বলে দাবি করেন।

সকাল সাড়ে ৭টার দিকে কেরানীগঞ্জ ও কাশিমপুর কারাগার থেকে আসামিদের আদালতে আনা হয় এবং পরে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের হাজতখানায় রাখা হয়। সকাল ১১টা ১০ মিনিটে তাদের এজলাসে তোলা হয়। রাষ্ট্রপক্ষের শুনানি পরিচালনা করেন পাবলিক প্রসিকিউটর, আর আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী হিসেবে অ্যাডভোকেট মুসা কালিমুল্লাহ উপস্থিত ছিলেন।

মামলার নথি অনুযায়ী, গত ২৪ মে তদন্ত কর্মকর্তা পল্লবী থানার এসআই অহিদুজ্জামান আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। পরে তা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত হয়ে শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে স্থানান্তর করা হয় এবং অভিযোগ গঠনের জন্য ১ জুন দিন ধার্য করা হয়।

অভিযোগে বলা হয়, ১৯ মে সকালে ৮ বছর বয়সী রামিসা স্কুলে যাওয়ার জন্য ঘর থেকে বের হলে তাকে কৌশলে একটি ফ্ল্যাটে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে তার জুতা ফ্ল্যাটের সামনে পাওয়া গেলে দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে পরিবারের সদস্যরা তার মরদেহ দেখতে পান।

ঘটনার পর ওই দিনই শিশুটির বাবা বাদী হয়ে মামলা করেন। প্রথমে স্বপ্না আক্তারকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং পরে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরদিন আদালতে সোহেল রানা স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন এবং দুই আসামিকেই কারাগারে পাঠানো হয়।


This page has been printed from Entrepreneur Bangladesh - https://www.entrepreneurbd.com/10881 ,   Print Date & Time: Monday, 5 October 2026, 10:59:55 PM
Developed by: Dotsilicon [www.dotsilicon.com]
© 2026 Entrepreneur Bangladesh