• হোম > আইন বিভাগ | বাংলাদেশ | বিচার বিভাগ > রামিসাকে ধর্ষণের পর হত্যা: স্ত্রীসহ সোহেল রানার বিচার শুরু, সাক্ষ্য গ্রহণ কাল

রামিসাকে ধর্ষণের পর হত্যা: স্ত্রীসহ সোহেল রানার বিচার শুরু, সাক্ষ্য গ্রহণ কাল

  • সোমবার, ১ জুন ২০২৬, ১২:১৮
  • ৮৮

রামিসাকে ধর্ষণের পর হত্যা: স্ত্রীসহ সোহেল রানার বিচার শুরু, সাক্ষ্য গ্রহণ কাল

রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসা আক্তার হত্যা মামলায় প্রধান আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দিয়েছেন আদালত। সোমবার (১ জুন) ঢাকার মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। একই সঙ্গে মামলার সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আগামী ২ জুন দিন ধার্য করা হয়েছে। অভিযোগ গঠনের পর আদালত আসামিদের দোষী বা নির্দোষ সম্পর্কে জানতে চাইলে তারা নিজেদের নির্দোষ দাবি করেন। এ সময় সোহেল রানা আদালতে বলেন, এ ঘটনায় তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের কোনো সম্পৃক্ততা নেই।

সকাল সাড়ে ৭টার দিকে কারাগার থেকে দুই আসামিকে আদালতে আনা হয় এবং পরে আদালতের হাজতখানায় রাখা হয়। সকাল ১১টা ১০ মিনিটে তাদের এজলাসে তোলা হলে প্রায় ১৫ মিনিট শুনানি শেষে অভিযোগ গঠনের আদেশ দেওয়া হয়। আসামিপক্ষে কোনো আইনজীবী না থাকায় রাষ্ট্রীয় খরচে ঢাকা বারের সদস্য অ্যাডভোকেট মুসা কালিমুল্যাহকে নিয়োগ দেয় আইন মন্ত্রণালয়। তিনি আসামিপক্ষে শুনানিতে অংশ নেন, আর রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন পাবলিক প্রসিকিউটর।

এর আগে গত ২৪ মে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পল্লবী থানার এসআই অহিদুজ্জামান সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। পরে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত অভিযোগপত্র গ্রহণ করে মামলাটি বিচারের জন্য শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে পাঠান। একই দিন ট্রাইব্যুনাল অভিযোগপত্র আমলে নিয়ে ১ জুন অভিযোগ গঠনের শুনানির তারিখ নির্ধারণ করেন।

মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী রামিসা আক্তার (৮) গত ১৯ মে সকালে বাসা থেকে বের হওয়ার পর স্বপ্না আক্তার কৌশলে তাকে নিজের ফ্ল্যাটে নিয়ে যান। পরে শিশুটিকে খুঁজতে গিয়ে পরিবারের সদস্যরা ওই ফ্ল্যাটের সামনে তার জুতা দেখতে পান। কোনো সাড়া না পেয়ে দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করলে তারা কক্ষের মেঝেতে শিশুটির মরদেহ এবং মাথা একটি বালতির ভেতরে দেখতে পান। ঘটনার পরদিন শিশুটির বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা পল্লবী থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলার পর স্বপ্না আক্তারকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং পরে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে সোহেল রানাকে আটক করে পুলিশ। ২০ মে সোহেল রানা আদালতে দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দেন এবং স্বপ্না আক্তারকে কারাগারে পাঠানো হয়।


This page has been printed from Entrepreneur Bangladesh - https://www.entrepreneurbd.com/10869 ,   Print Date & Time: Monday, 5 October 2026, 11:02:52 PM
Developed by: Dotsilicon [www.dotsilicon.com]
© 2026 Entrepreneur Bangladesh