![]()
যুক্তরাষ্ট্রে বৈধ ও অবৈধ—দুই ধরনের অভিবাসীর ওপরই নতুন করে কড়াকড়ি আরোপ করা হচ্ছে। বিশেষ করে টেম্পোরারি প্রটেক্টেড স্ট্যাটাস (TPS) থাকা অনেক বৈধ কর্মীও চাকরি ও সরকারি সুবিধা হারাচ্ছেন, কারণ নতুন নীতিতে তাদেরকে অনেক ক্ষেত্রে “অনুমোদিত বাসিন্দা” হিসেবে আর ধরা হচ্ছে না। এতে বিমানবন্দর, নিরাপত্তা এলাকা এবং সরকারি চুক্তিভিত্তিক চাকরিতে তাদের প্রবেশাধিকার সীমিত হয়ে গেছে।
প্রশাসনের লক্ষ্য হিসেবে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে—অভিবাসীদের জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে কম আকর্ষণীয় করে তোলা, যাতে তারা স্বেচ্ছায় দেশ ছাড়ে। এর অংশ হিসেবে চাকরি, স্বাস্থ্যসেবা, ব্যাংকিং, ডে-কেয়ার ও ট্যাক্স সুবিধাসহ নানা ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ বাড়ানো হচ্ছে। কিছু নতুন নিয়ম আশ্রয়প্রার্থীদের কাজের অনুমতিও সীমিত করতে পারে, যা বছরে লক্ষাধিক মানুষের ওপর প্রভাব ফেলবে।
এই নীতির ফলে বহু মানুষ স্বেচ্ছায় যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ছে, আবার অনেকে ভয়ে আড়ালে চলে যাচ্ছে। একই সঙ্গে কিছু ক্ষেত্রে আদালতের স্থগিতাদেশ থাকলেও স্থানীয় পর্যায়ে নিয়ম কার্যকর করা হচ্ছে।
নীতির প্রধান কৌশলগত রূপকার হিসেবে স্টিফেন মিলারের নাম এসেছে, যিনি অভিবাসন কমিয়ে আনার এবং কঠোর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার পক্ষে নীতিগত চাপ দিচ্ছেন।