![]()
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান-এর ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকীতে তাঁর মুক্তিযুদ্ধকালীন অবদানের কথা শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেছে ভারত। ঢাকাস্থ ভারতীয় হাইকমিশন এক বার্তায় ১৯৭১ সালের মার্চে দেওয়া তাঁর ঐতিহাসিক বেতার ভাষণের গুরুত্ব তুলে ধরে তাঁকে বাংলাদেশের অন্যতম সাহসী সন্তান হিসেবে অভিহিত করেছে। বার্তায় বলা হয়, সেই ভাষণ মুক্তিকামী মানুষকে অনুপ্রাণিত করেছিল, দমন-পীড়নের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে সাহস জুগিয়েছিল এবং স্বাধীনতার সংগ্রামকে এগিয়ে নিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল।
ভারতীয় হাইকমিশন উল্লেখ করে, বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সংকটময় সময়ে জিয়াউর রহমানের আহ্বান জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করেছিল এবং প্রতিরোধ আন্দোলনের জন্য শক্তিশালী প্রেরণার উৎসে পরিণত হয়েছিল। তাঁর নেতৃত্ব ও দেশপ্রেমের স্মৃতিকে সম্মান জানিয়ে ভারত বলেছে, বাংলাদেশের জনগণ আজ তাঁদের জাতির একজন সাহসী সন্তানকে স্মরণ করছে এবং ভারতও একই শ্রদ্ধার সঙ্গে তাঁর অবদানকে স্মরণ করছে।
বার্তায় বাংলাদেশ ও ভারতের ঐতিহাসিক সম্পর্কের কথাও তুলে ধরা হয়। ভারত জানায়, মুক্তিযুদ্ধের সময় যেমন বাংলাদেশের মানুষের পাশে ছিল, তেমনি আজও দুই দেশের জনগণের পারস্পরিক সহযোগিতা ও বন্ধুত্ব অটুট রয়েছে। যৌথ ত্যাগ, ইতিহাস, অগ্রগতি ও সমৃদ্ধির অভিন্ন যাত্রা দুই দেশের সম্পর্ককে আরও দৃঢ় করেছে বলেও উল্লেখ করা হয়।
উল্লেখ্য, ১৯৮১ সালের ৩০ মে চট্টগ্রাম সফরকালে বিপথগামী একদল সেনা সদস্যের হাতে নিহত হন তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। তাঁর শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে পাঠানো এই বার্তায় ভারত সরকার তাঁর মুক্তিযুদ্ধকালীন ভূমিকা ও স্বাধীন বাংলাদেশের জন্য অবদানকে গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেছে।