![]()
ঈদুল আজহাকে কেন্দ্র করে রাজধানী ঢাকা ছাড়তে শুরু করেছে ঘরমুখো মানুষ। ঈদের আনন্দ পরিবারের সঙ্গে ভাগাভাগি করতে অনেকেই রেলপথকে বেছে নিচ্ছেন, ফলে কমলাপুর রেলস্টেশনে আজ সকাল থেকেই ছিল উপচে পড়া যাত্রীচাপ।
মঙ্গলবার (২৬ মে) মোট ৬৭টি ট্রেন কমলাপুর থেকে বিভিন্ন গন্তব্যে ছেড়ে যাওয়ার কথা রয়েছে। এর মধ্যে কিছু ট্রেন নির্ধারিত সময়ের চেয়ে দেরিতে ছাড়লেও অধিকাংশ ট্রেনই শিডিউল অনুযায়ী চলাচল করছে বলে জানিয়েছে রেল কর্তৃপক্ষ।
নীলসাগর এক্সপ্রেস নির্ধারিত সময়ের সোয়া ঘণ্টা পরে ছেড়ে যায়। অন্যদিকে সিলেটগামী জয়ন্তিকা এক্সপ্রেস এবং ঢাকা–চট্টগ্রামগামী সোনার বাংলা এক্সপ্রেস ট্রেনে নারীদের জন্য আলাদা কোচের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
যাত্রীদের মধ্যে উচ্ছ্বাস থাকলেও অতিরিক্ত ভিড় নিয়ে ভোগান্তির অভিযোগও রয়েছে। বিশেষ করে ট্রেনের ছাদে অতিরিক্ত যাত্রী ওঠার কারণে নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।
এক যাত্রী জানান, ব্যবস্থাপনা মোটামুটি ভালো হলেও ভিড় নিয়ন্ত্রণে কিছু সমস্যা রয়েছে। অন্যদিকে আরেকজন যাত্রী বলেন, বাচ্চা নিয়ে ভ্রমণ করা এবং অতিরিক্ত ভিড় সামলানো কঠিন হয়ে পড়ছে।
বাংলাদেশ রেলওয়ের ঢাকা বিভাগীয় রেলওয়ে ব্যবস্থাপক এবিএম কামরুজ্জামান জানান, কিছু ট্রেন দেরিতে ছাড়লেও অধিকাংশ ট্রেন সময়মতোই চলেছে। অতিরিক্ত যাত্রীর চাপের কারণে কিছু ট্রেনে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হয়ে পড়ে।
আবহাওয়া কিছুটা প্রভাব ফেললেও সার্বিকভাবে ঈদযাত্রা স্বস্তিদায়ক রাখতে চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছে রেল কর্তৃপক্ষ।