![]()
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সম্ভাব্য চুক্তির আশাবাদ বাড়ায় আন্তর্জাতিক জ্বালানি তেলের বাজারে বড় ধরনের দরপতন দেখা গেছে। একই সঙ্গে এশিয়ার প্রধান শেয়ারবাজারগুলোতেও ইতিবাচক প্রবণতা লক্ষ্য করা গেছে।
Donald Trump গত শনিবার জানান, তেহরানের সঙ্গে একটি চুক্তি “প্রায় চূড়ান্ত” পর্যায়ে রয়েছে। যদিও পরদিন তিনি মার্কিন আলোচকদের চুক্তি নিয়ে অতিরিক্ত তাড়াহুড়ো না করার পরামর্শ দেন।
আজ সকালে আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের মানদণ্ড Brent Crude-এর দাম ৫ দশমিক ৫ শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি ৯৭ ডলার ৯০ সেন্টে নেমে আসে। একই সময়ে West Texas Intermediate (ডব্লিউটিআই)-এর দাম ৫ দশমিক ৮ শতাংশ কমে দাঁড়ায় ৯০ ডলার ৯৯ সেন্ট।
সম্ভাব্য চুক্তির অংশ হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ Hormuz Strait পুনরায় উন্মুক্ত করা হতে পারে বলেও ইঙ্গিত দেন ট্রাম্প। যদিও এ বিষয়ে বিস্তারিত কিছু প্রকাশ করা হয়নি।
জ্বালানি বাজারে স্বস্তির প্রভাব পড়েছে এশিয়ার শেয়ারবাজারেও। Nikkei 225 সূচক ২ দশমিক ৯ শতাংশ বেড়ে ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ৬৫ হাজার পয়েন্ট অতিক্রম করেছে।
তবে বিশ্লেষকরা মনে করছেন, তেলের দাম কমলেও বাজার পুরোপুরি স্থিতিশীল হতে সময় লাগবে। সংঘাত শুরুর আগে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ছিল ব্যারেলপ্রতি প্রায় ৭০ ডলার, যা বর্তমান দামের তুলনায় অনেক কম।
MST Financial-এর জ্বালানি গবেষণা বিভাগের প্রধান Saul Kavonic বলেন, বাজারে এখন কিছুটা স্বস্তির আভাস মিলছে। তবে তার মতে, সবচেয়ে ইতিবাচক পরিস্থিতিতেও ২০২৭ সাল পর্যন্ত বৈশ্বিক জ্বালানি বাজার চাপের মধ্যেই থাকবে। কারণ Hormuz Strait দিয়ে তেল সরবরাহ পুরোপুরি স্বাভাবিক করতে সময় লাগবে, পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত অবকাঠামো পুনর্গঠন ও কমে যাওয়া মজুদ পুনরায় গড়ে তুলতেও দীর্ঘ সময় প্রয়োজন হবে।