![]()
কোরবানির পশুর বাজার ঘিরে এবার পরিস্থিতি তুলনামূলকভাবে ভিন্ন চিত্র দিচ্ছে।
প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, সীমান্তবর্তী হাটে কড়াকড়ি, ভারতের পশ্চিমবঙ্গে গরু পরিবহনে নিয়ন্ত্রণ এবং সীমান্ত দিয়ে ভারতীয় পশু প্রবেশ কমে যাওয়ায় বাজারে বাইরের সরবরাহ উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। এর ফলে দেশীয় পশুর ওপর নির্ভরতা বেড়েছে।
অন্যদিকে ব্যাংকঋণ সংকট, পশুখাদ্যের দাম বৃদ্ধি এবং রাজনৈতিক-অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার কারণে অনেক বড় খামার বন্ধ হয়ে গেছে বলে খামারিদের দাবি। এতে বাজারে অতিরিক্ত সরবরাহ তৈরি হয়নি।
ফলে ব্যবসায়ী ও খামারিদের মধ্যে ধারণা তৈরি হয়েছে যে এবার শেষ মুহূর্তে পশুর দাম কমে যাওয়ার সম্ভাবনা কম। বরং চাহিদা স্থিতিশীল থাকায় ভালো দাম পাওয়ার আশা করছেন তারা।
রাজধানীর বিভিন্ন হাটে ইতোমধ্যে দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে পশু আসতে শুরু করেছে। তবে ক্রেতাদের বড় অংশ এখনই কেনাকাটায় না নেমে দাম যাচাই করছেন, ফলে মূল বেচাকেনা ঈদের কয়েক দিন আগে জমে উঠবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
সব মিলিয়ে বাজারে এবার ভারসাম্যপূর্ণ কিন্তু তুলনামূলকভাবে শক্তিশালী দামের প্রবণতা থাকতে পারে—এমনটাই মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।