![]()
ইরানকে ঘিরে উত্তেজনা আরও তীব্র আকার ধারণ করছে। নতুন করে সামরিক হামলার সম্ভাবনা নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট Donald Trump তার জাতীয় নিরাপত্তা টিমের সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক করেছেন বলে জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম Axios।
হোয়াইট হাউসে অনুষ্ঠিত ওই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ভাইস প্রেসিডেন্ট JD Vance, প্রতিরক্ষামন্ত্রী Pete Hegseth, সিআইএ পরিচালক John Ratcliffe এবং হোয়াইট হাউস চিফ অব স্টাফ Susie Wiles। সেখানে ইরানের সঙ্গে আলোচনার বর্তমান অবস্থা এবং কূটনৈতিক প্রচেষ্টা ব্যর্থ হলে সম্ভাব্য সামরিক পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনা হয়।
সূত্রগুলো বলছে, গত কয়েকদিন ধরে তেহরানের সঙ্গে আলোচনায় অগ্রগতি না হওয়ায় ট্রাম্প ক্রমেই বিরক্ত হয়ে উঠেছেন। শুরুতে তিনি Benjamin Netanyahu-কে কূটনীতিকে আরেকটি সুযোগ দেওয়ার কথা বললেও এখন “চূড়ান্ত সামরিক পদক্ষেপ” বিবেচনা করছেন, যা দ্রুত যুদ্ধের ইতি টানতে পারে বলে তিনি মনে করছেন। তবে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।
পরিস্থিতির গুরুত্ব বোঝাতে ট্রাম্প তার নির্ধারিত ব্যক্তিগত সূচিও বাতিল করেছেন। নিউইয়র্ক সফর শেষে গলফ ক্লাবে যাওয়ার পরিকল্পনা বাদ দিয়ে তিনি সরাসরি ওয়াশিংটনে ফিরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এমনকি পারিবারিক অনুষ্ঠানেও অংশ না নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।
অন্যদিকে যুদ্ধ এড়াতে কূটনৈতিক তৎপরতাও চলছে। Pakistan ও Qatar মধ্যস্থতার চেষ্টা করছে। পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল Asim Munir তেহরান সফর করছেন এবং ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করার কথা রয়েছে।
ইরানের পক্ষ থেকেও জানানো হয়েছে, আলোচনা পুরোপুরি বন্ধ হয়নি, তবে এখনো কোনো চূড়ান্ত সমঝোতা হয়নি। তেহরানের মূল লক্ষ্য আপাতত যুদ্ধ বন্ধ করা।
তবে মার্কিন প্রশাসনের ঘনিষ্ঠ সূত্রগুলোর ধারণা, আগামী ২৪ ঘণ্টা পরিস্থিতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। আলোচনায় বড় ধরনের অগ্রগতি না হলে ট্রাম্প প্রশাসন সামরিক পদক্ষেপের দিকেই এগোতে পারে।