• হোম > বাংলাদেশ > শিশু-কিশোর প্রতিভা বিকাশে উজ্জ্বল প্ল্যাটফর্ম ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’

শিশু-কিশোর প্রতিভা বিকাশে উজ্জ্বল প্ল্যাটফর্ম ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’

  • বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬, ১১:৩১
  • ৫৪

---

তৃণমূল পর্যায় থেকে প্রতিভাবান শিশু-কিশোরদের খুঁজে বের করে দক্ষ ক্রীড়াবিদ হিসেবে গড়ে তুলতে শুরু হওয়া ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ ইতোমধ্যে দেশের ক্রীড়াঙ্গনে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এটি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের খেলোয়াড় তৈরির একটি শক্তিশালী প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করবে এবং বাংলাদেশের ক্রীড়া সংস্কৃতিতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করবে।

গত ২ মে কর্মসূচিটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন তারেক রহমান। তিনি সিলেট জেলা স্টেডিয়াম-এ উপস্থিত থেকে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দেন। একই সময়ে দেশের বিভিন্ন জেলা স্টেডিয়াম ও মাঠে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয় হাজারো প্রতিযোগী।

Image

Image

Image

Image

যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধানে আয়োজিত এ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে ক্রীড়া পরিদপ্তর। জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে স্থানীয় ক্রীড়া অফিসগুলো পুরো কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’-এর মূল লক্ষ্য হলো ১২ থেকে ১৪ বছর বয়সী শিশু-কিশোরদের সুপ্ত ক্রীড়া প্রতিভা খুঁজে বের করা, বাছাই করা এবং রাষ্ট্রীয়ভাবে তাদের বিকাশের সুযোগ তৈরি করা। আয়োজনে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে ক্রিকেট, ফুটবল, কাবাডি, অ্যাথলেটিক্স, দাবা, ব্যাডমিন্টন, সাঁতার ও মার্শাল আর্টসহ মোট ৮টি ইভেন্ট।

আয়োজকদের তথ্য অনুযায়ী, গত ১২ থেকে ১৭ এপ্রিল পর্যন্ত সারা দেশ থেকে মোট ১ লাখ ৬০ হাজার ৭৭৯ জন কিশোর-কিশোরী অনলাইনে নিবন্ধন করেছে। এর মধ্যে ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৪৬ জন কিশোর এবং ৪৪ হাজার ১৩৩ জন কিশোরী। সর্বোচ্চ আবেদন এসেছে সিলেট থেকে—১৫ হাজার ৩২৪ জন। এরপর রয়েছে চট্টগ্রাম এবং ঢাকা।

ময়মনসিংহ জেলা ক্রীড়া কর্মকর্তা আল আমিন জানান, উপজেলা পর্যায়ের দল গঠন শেষ হয়েছে এবং অঞ্চল ও বিভাগীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতা চলছে।

যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, চূড়ান্ত পর্যায়ে নির্বাচিত খেলোয়াড়দের বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (বিকেএসপি)-তে ভর্তি ও বিশেষ ক্রীড়া বৃত্তির আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে। একই সঙ্গে চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন আঞ্চলিক বিকেএসপি কেন্দ্র আধুনিকায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও জানান, খেলোয়াড় বাছাইয়ে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে প্রশাসনিক তদারকি জোরদার করা হয়েছে এবং প্রতিযোগীদের নিরাপত্তার জন্য মেডিকেল টিমও রাখা হয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ কেবল একটি প্রতিযোগিতা নয়; এটি বাংলাদেশের তৃণমূল ক্রীড়া উন্নয়নের দীর্ঘমেয়াদি রূপকল্প। সঠিক পরিচর্যা ও প্রশিক্ষণ নিশ্চিত করা গেলে এখান থেকেই ভবিষ্যতের আন্তর্জাতিক মানের ক্রীড়াবিদ উঠে আসতে পারে।


This page has been printed from Entrepreneur Bangladesh - https://www.entrepreneurbd.com/10385 ,   Print Date & Time: Saturday, 22 August 2026, 08:04:16 PM
Developed by: Dotsilicon [www.dotsilicon.com]
© 2026 Entrepreneur Bangladesh