• হোম > বিদেশ > বোয়িং চুক্তির পর বিমানের জন্য নতুন প্রস্তাব দিল এয়ারবাস

বোয়িং চুক্তির পর বিমানের জন্য নতুন প্রস্তাব দিল এয়ারবাস

  • রবিবার, ১৭ মে ২০২৬, ২০:৪৪
  • ৮৯

---

ই-বাংলাদেশ ডেস্ক

Airbus বিমান বাংলাদেশের জন্য তাদের আগের বহর প্রস্তাব সংশোধন করে নতুন একটি অফার জমা দিয়েছে। জাতীয় পতাকাবাহী সংস্থা Biman Bangladesh Airlines সম্প্রতি Boeing-এর সঙ্গে মাল্টি-বিলিয়ন ডলারের বড় চুক্তি করার পরই ইউরোপীয় উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠানটি নতুন কৌশল নিয়ে এগিয়েছে।

এয়ারবাস ও বিমানের সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, নতুন প্রস্তাবে ৪টি Airbus A350-900 ওয়াইড-বডি উড়োজাহাজ এবং ৬টি Airbus A321neo ন্যারো-বডি জেট অফার করা হয়েছে।

এর আগে এয়ারবাস ১০টি এ৩৫০ ও ৪টি এ৩২০ নিওসহ মোট ১৪টি উড়োজাহাজের প্রস্তাব দিয়েছিল। কিন্তু বোয়িংয়ের সঙ্গে বিমানের ৩.৭ বিলিয়ন ডলারের চুক্তির পর প্রতিষ্ঠানটি তাদের প্রস্তাব পুনর্বিন্যাস করে।

গত ৩০ এপ্রিল বোয়িংয়ের সঙ্গে হওয়া চুক্তির আওতায় বিমান ৮টি Boeing 787-10 Dreamliner, ২টি Boeing 787-9 Dreamliner এবং ৪টি Boeing 737 MAX সংগ্রহের সিদ্ধান্ত নেয়।

শিল্পসংশ্লিষ্ট বিশ্লেষকদের মতে, বাংলাদেশের দীর্ঘমেয়াদি এভিয়েশন বাজারে নিজেদের অবস্থান ধরে রাখতে এয়ারবাস এখন আরও বাস্তবসম্মত ও প্রতিযোগিতামূলক প্রস্তাব দিচ্ছে। বিশেষ করে বিমান যদি ভবিষ্যতে মিশ্র বহর পরিচালনার সিদ্ধান্ত নেয়, তাহলে বোয়িংয়ের পাশাপাশি এয়ারবাসের উড়োজাহাজও বহরে যুক্ত হতে পারে।

এয়ারবাসের একটি সূত্র জানিয়েছে, বোয়িং চুক্তির আগ থেকেই তারা বিমানের সঙ্গে যোগাযোগ বজায় রেখেছিল এবং নতুন প্রস্তাব জমা দেওয়ার পর বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে ইতিবাচক সাড়া পাওয়া গেছে।

সম্প্রতি Afroza Khanam-এর সঙ্গে এয়ারবাসের ভাইস প্রেসিডেন্ট এডওয়ার্ড ডেলাহে বৈঠক করেন। ওই বৈঠকে প্রতিমন্ত্রী M Rashiduzzaman Millat, মন্ত্রণালয়ের সচিব ফাহিদা আক্তার এবং বিমানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কায়সার সোহেল আহমেদ উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকে এয়ারবাস বাংলাদেশের জন্য একটি “মিশ্র বহর কাঠামো” তৈরির আগ্রহ প্রকাশ করে। সরকারের পক্ষ থেকেও ভবিষ্যতে বহর আধুনিকায়নে এয়ারবাসের সঙ্গে কাজ করার আগ্রহ দেখানো হয়।

বর্তমানে বিমানের বহরে ১৯টি উড়োজাহাজ রয়েছে, যার মধ্যে ১৪টিই বোয়িংয়ের তৈরি। সরকার ২০৩৪-৩৫ অর্থবছরের মধ্যে বহর সংখ্যা বাড়িয়ে ৪৭টিতে উন্নীত করার পরিকল্পনা করছে। এর লক্ষ্য হলো বিমানকে আধুনিকায়ন করা এবং বাংলাদেশকে আঞ্চলিক এভিয়েশন ও কার্গো হাবে রূপান্তর করা।

এদিকে, নতুন উড়োজাহাজ সরবরাহে সময় লাগায় সরকার অন্তর্বর্তীকালীন সমাধান হিসেবেও ড্রাই লিজিংয়ের মাধ্যমে বিমান ভাড়ায় নেওয়ার পরিকল্পনা করছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মতে, এতে রূপান্তরকালীন সময়ে ফ্লাইট পরিচালনায় ধারাবাহিকতা বজায় রাখা সম্ভব হবে।


This page has been printed from Entrepreneur Bangladesh - https://www.entrepreneurbd.com/10249 ,   Print Date & Time: Wednesday, 26 August 2026, 11:24:28 AM
Developed by: Dotsilicon [www.dotsilicon.com]
© 2026 Entrepreneur Bangladesh